ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
‎রংপুরে তালাবদ্ধ বাসায় মিলল একই পরিবারের চার লাশ চার খুনের পর স্বর্ণ লুট, বাড়িতেই গোসল করে ইয়াবা সেবন নোয়াখালীতে ‘স্বামী-স্ত্রী’ পরিচয়ে ঘুরছিল দুই রোহিঙ্গা, পরে আটক নতুন লুকে চমক, খালেদা জিয়ার আদল দেখে অবাক নেটিজেনরা নবীনগরে হোপের উদ্যোগে ফলজ গাছের চারা বিতরণ নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ফার্মেসি মালিক আটক নোয়াখালী সেনবাগে গরুর খাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু নোয়াখালীতে মুখোশধারীদের এলোপাতাড়ি গুলি, শিক্ষকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ পাউরুটি নেই বলে দুই শিশুকে ঘরে ডেকে নেওয়া, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ কালীগঞ্জে প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত ৭০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

যাকে ঘিরে পরীমণির গাড়ি বিতর্ক, সেই ‘মাসরুর’ আসলে কে?

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 21 বার পড়া হয়েছে

চিত্রনায়িকা তমা মির্জার এবি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিনোদন জগত ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যকার সম্পর্ক। এই আলোচনার সূত্রে তিন বছর আগের বহুল আলোচিত পরীমণির বিলাস বহুল গাড়ি উপহার পাওয়ার ঘটনাটি আবারও আলোচনায়। বিশেষ করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম নতুন করে উঠে এসেছে।

সামাজিকমাধ্যমে প্রচারিত কিছু দাবি এবং গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, পরীমণিকে গাড়ি উপহার দেওয়ার এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে পড়া ব্যক্তি সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন ছিলেন না। ওই ঘটনার মূল চরিত্র ছিলেন খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু— যিনি ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রাক্তন স্বামী।

সূত্র অনুযায়ী, বোট ক্লাব কাণ্ডের পর বিতর্ক এড়াতে এবং তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যকে রক্ষা করতে নাম গুলিয়ে ফেলার এই বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

সূত্র জানায়, তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ প্রকৃত সত্য আড়াল করতে খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতুর পরিবর্তে সিটি ব্যাংকের এমডির নাম সামনে নিয়ে আসেন। এর মাধ্যমে একদিকে তৎকালীন শেখ হাসিনা পরিবারের নাম আড়াল করা হয়, অন্যদিকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিবাদের জের ধরে মাসরুর আরেফিনের নাম ছড়ানো হয়। এ ঘটনা জানাজানির পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে পারিবারিক অসন্তোষ দেখা দেয় এবং পুতুল ও মিতুর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে সংবাদমাধ্যমে মাসরুর আরেফিনের নাম প্রকাশিত হলে তিনি তখনই দৃঢ়ভাবে তা অস্বীকার করেন এবং জানান, পরীমণির সঙ্গে তার কোনো দিন দেখাও হয়নি। পরবর্তীতে ওই সংবাদমাধ্যমটি নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে প্রথম পাতায় দুঃখপ্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

যাকে ঘিরে পরীমণির গাড়ি বিতর্ক, সেই ‘মাসরুর’ আসলে কে?

প্রকাশের সময় : ১০:০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

চিত্রনায়িকা তমা মির্জার এবি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিনোদন জগত ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যকার সম্পর্ক। এই আলোচনার সূত্রে তিন বছর আগের বহুল আলোচিত পরীমণির বিলাস বহুল গাড়ি উপহার পাওয়ার ঘটনাটি আবারও আলোচনায়। বিশেষ করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক মাসরুর আরেফিনের নাম নতুন করে উঠে এসেছে।

সামাজিকমাধ্যমে প্রচারিত কিছু দাবি এবং গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে, পরীমণিকে গাড়ি উপহার দেওয়ার এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে পড়া ব্যক্তি সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন ছিলেন না। ওই ঘটনার মূল চরিত্র ছিলেন খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতু— যিনি ফরিদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রাক্তন স্বামী।

সূত্র অনুযায়ী, বোট ক্লাব কাণ্ডের পর বিতর্ক এড়াতে এবং তৎকালীন প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যকে রক্ষা করতে নাম গুলিয়ে ফেলার এই বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

সূত্র জানায়, তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ প্রকৃত সত্য আড়াল করতে খন্দকার মাসরুর হোসেন মিতুর পরিবর্তে সিটি ব্যাংকের এমডির নাম সামনে নিয়ে আসেন। এর মাধ্যমে একদিকে তৎকালীন শেখ হাসিনা পরিবারের নাম আড়াল করা হয়, অন্যদিকে সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিবাদের জের ধরে মাসরুর আরেফিনের নাম ছড়ানো হয়। এ ঘটনা জানাজানির পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে পারিবারিক অসন্তোষ দেখা দেয় এবং পুতুল ও মিতুর বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে সংবাদমাধ্যমে মাসরুর আরেফিনের নাম প্রকাশিত হলে তিনি তখনই দৃঢ়ভাবে তা অস্বীকার করেন এবং জানান, পরীমণির সঙ্গে তার কোনো দিন দেখাও হয়নি। পরবর্তীতে ওই সংবাদমাধ্যমটি নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে প্রথম পাতায় দুঃখপ্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।