ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ নজরুলের চেতনার আজ আরও বেশি প্রয়োজন-নাসের রহমান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

শ্রীমঙ্গলে পার্পলকিং চাষে মডেল চাষি অবিনয়

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
  • / ৩১৯ বার পড়া হয়েছে
১০৯

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

অল্প জমিতে অধিক ফলন হওয়ায় লাভবান হয়েছে অবিনয় দেব। তার চাষের সফলতা দেখে এলাকার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তার এ সফলতা দেখে গ্রামের অনেকেই পার্পলকিং চাষ করার পরিকল্পনা করছে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তর ভাড়াউরা গ্রামের মডেল চাষি অভিনয় দেব। অধিক ফলনশীল ও আকর্ষণীয় হাইব্রিড বেগুন পার্পলকিং চাষে চমক সৃর্ষ্টি করেছেন অভিনয় দেব।
অভিনয় দেব আগে বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ করতেন। পার্পলকিং চাষ করে এবার বাম্পার ফলন পেয়েছেন তিনি। প্রথম অবস্থায় এক লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন কৃষক অভিনয় দেব। প্রতি কেজি বেগুন ২৩ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এই জমি থেকে আরো ৭ মাস বেগুন বিক্রি করতে পারবেন তিনি। দুই দিন পরপর ২০০ থেকে ২৫০ কেজি বেগুন বিক্রি করেছেন।
অভিনয় দেব বলেন, প্রতিটি বেগুনের ওজনে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ গ্রাম হয়। একটি গাছ থেকে প্রায় ৩০ কেজি বেগুন প্রতি বছর ফলন পাওয়া যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফল দেয় এই বেগুন। দুই বিঘা জমিতে এই বেগুন চাষ করতে আমার খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকার মতো। পাশাপাশি আমার এই বেগুন চাষে এলাকার বেকার চার জন মানুষের কর্মসংস্থান এর সুযোগ হয়েছে। চাষ শুরু করার পর থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হলেও প্রথম অবস্থাতেই এক লাখ টাকার বেগুন বিক্রি হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাইব্রিড পার্পলকিং চাষ করে কৃষক অল্প সময়ে লাভবান হবেন। উনাকে দেখে এখন অনেক কৃষক বেগুন চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন। যার বাস্তব প্রমাণ উত্তর ভাড়াউরা গ্রামের মডেল চাষি অভিনয় দেব। তিনি আরও বলেন সরকারি সহযোগিতা পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো বড় আকারে কিছু করা সম্ভব বলে ও তিনি জানান।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রীমঙ্গলে পার্পলকিং চাষে মডেল চাষি অবিনয়

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
১০৯

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

অল্প জমিতে অধিক ফলন হওয়ায় লাভবান হয়েছে অবিনয় দেব। তার চাষের সফলতা দেখে এলাকার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তার এ সফলতা দেখে গ্রামের অনেকেই পার্পলকিং চাষ করার পরিকল্পনা করছে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তর ভাড়াউরা গ্রামের মডেল চাষি অভিনয় দেব। অধিক ফলনশীল ও আকর্ষণীয় হাইব্রিড বেগুন পার্পলকিং চাষে চমক সৃর্ষ্টি করেছেন অভিনয় দেব।
অভিনয় দেব আগে বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ করতেন। পার্পলকিং চাষ করে এবার বাম্পার ফলন পেয়েছেন তিনি। প্রথম অবস্থায় এক লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন কৃষক অভিনয় দেব। প্রতি কেজি বেগুন ২৩ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এই জমি থেকে আরো ৭ মাস বেগুন বিক্রি করতে পারবেন তিনি। দুই দিন পরপর ২০০ থেকে ২৫০ কেজি বেগুন বিক্রি করেছেন।
অভিনয় দেব বলেন, প্রতিটি বেগুনের ওজনে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ গ্রাম হয়। একটি গাছ থেকে প্রায় ৩০ কেজি বেগুন প্রতি বছর ফলন পাওয়া যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফল দেয় এই বেগুন। দুই বিঘা জমিতে এই বেগুন চাষ করতে আমার খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকার মতো। পাশাপাশি আমার এই বেগুন চাষে এলাকার বেকার চার জন মানুষের কর্মসংস্থান এর সুযোগ হয়েছে। চাষ শুরু করার পর থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হলেও প্রথম অবস্থাতেই এক লাখ টাকার বেগুন বিক্রি হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাইব্রিড পার্পলকিং চাষ করে কৃষক অল্প সময়ে লাভবান হবেন। উনাকে দেখে এখন অনেক কৃষক বেগুন চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন। যার বাস্তব প্রমাণ উত্তর ভাড়াউরা গ্রামের মডেল চাষি অভিনয় দেব। তিনি আরও বলেন সরকারি সহযোগিতা পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরো বড় আকারে কিছু করা সম্ভব বলে ও তিনি জানান।