ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মামলা নিয়ে রুমিনের স্পষ্ট বার্তা, ‘প্রধান আসামি আমাকে করবেন’ কালীগঞ্জে জাগলীয়া জায়ান্টস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত আমি এখন বিএনপি নেতা’—সাংবাদিককে বললেন ইউএনও ফেসবুকে এসিল্যান্ডের অভিযোগ, নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করলেন ইউএনওকে বারান্দার বাগানেই মাসে ২ লাখ টাকা আয় তানজিলার! একের পর এক অঘটন, আর আমরা বসে থাকব?’—জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ গর্ভবতী বোনকে হাসপাতালে রেখে গেল স্বজনরা পথেই মৃত সন্তান প্রসব বোদায় টাকার ব্যাগসহ আটক এলজিইডির প্রকৌশলী কালীগঞ্জে ১২ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক, চলাচলে ঝুঁকি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 242 বার পড়া হয়েছে

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক, চলাচলে ঝুঁকি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।