ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে বসত বাড়িতে হামলা, ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ কালীগঞ্জে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতা মূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের চাল বিতরণ জনসমর্থনের জোয়ারে ভাসছেন আতিকুর রহমান শিশু, দিলেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি কালীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও র‌্যালি  কালীগঞ্জে চালক ও যাত্রী ছদ্মবেশী ছিনতাইকারী আটক, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে স্টাফদের ওপর হামলা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেপ্তার সারাদেশে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের অবস্থান সপ্তম কালীগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার, গলায় ও মুখে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন

নরসিংদীর রাবানে আনারস চাষে লাভবান কৃষকরা!

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
  • / ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে
১০৬

নিজস্ব প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট: নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবানে আনারস চাষ ঝুঁকছেন চাষিরা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া এর চাষের বেশ উপযোগী। স্থানীয় চাষিরা আবাদি, অনাবাদি জমি এমনকি বাড়িতেও আনারসের চাষ করে থাকেন। এছাড়াও সারাদেশে এখানকার উৎপাদিত আনারসের ব্যাপক সুনাম ও চাহিদা রয়েছে।

জানা যায়, আনারস নরসিংদীর চাষিদের প্রধান অর্থকরী ফসল। প্রায় ১৫০ বছর আগে ঘোড়াশালে দেশীয় জাতের আনারসের চাষ হতো। যার এরইমধ্যে বিলুপ্তি ঘটেছে। তারপর প্রায় ৫০ বছর আগে সিলেট থেকে পলাশের রাবানে আনারস আনা হয়। তখন থেকেই এখানে আনারসের চাষ করা হয়। বর্তমানে সফলতার সাথে এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। জলডুগি আনারস নামে পরিচিত হলেও এর বৈজ্ঞানীক না ‘হ্যানিকুইন’। এর স্বাদ খুবই মিষ্টি। জৈষ্ঠ্য মাসের শুরুতেই এর ভরা মৌসুম। তখনই বাজারে পাকা আনরস পাওয়া যায়। আর যারা দেড়ি করে বাগান করেন তাদের আনারস পাকতে আরো বেশি সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবান, কুড়াইতলী, বিলপাড়, কাটাবের, বরিবাড়ি সহ ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী, রাজাব, খাওগাইর, চামড়াবসহ অনেক স্থানেই আনারসের চাষ করা হয়। এবছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ করা হয়েছে। এর থেকে প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

রাবানের আনারস চাষী সমিরন রায় বলেন, আমি ১০ বিঘা জমিতে আনারস চাষ করেছি। এখন নিয়ে প্রায় ৩২ বছর যাবত এর চাষ করতেছি। এর চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে বিঘাপ্রতি প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার আনারস বিক্রি হয়। এতে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

অন্যান্য আরো কৃষকরা জানায়, এই ফলটি পচনশীল। এর সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে ভাল হতো। এছাড়াও এখানো এখানে সনাতন পদ্ধতিতে আনারসের চাষ করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে আরো ফলন পাওয়া যেত। আধুনিকতার যুগেও যদি আনারস সংরক্ষণ করা না যায় তাহলে আর কখন হবে। তারা একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।

পলাশ উপজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা বক্তার বলেন, চলতি বছর দাবদাহের কারণে সেচ ও বৃষ্টি হয়নি তাই আনারস বাজারজাত হতে দেড়ি হয়েছে। আমরা পোকামাকড়ের আক্রমণ ও বিভিন্ন রোগবালাই প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছি।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর রাবানে আনারস চাষে লাভবান কৃষকরা!

প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
১০৬

নিজস্ব প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট: নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবানে আনারস চাষ ঝুঁকছেন চাষিরা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া এর চাষের বেশ উপযোগী। স্থানীয় চাষিরা আবাদি, অনাবাদি জমি এমনকি বাড়িতেও আনারসের চাষ করে থাকেন। এছাড়াও সারাদেশে এখানকার উৎপাদিত আনারসের ব্যাপক সুনাম ও চাহিদা রয়েছে।

জানা যায়, আনারস নরসিংদীর চাষিদের প্রধান অর্থকরী ফসল। প্রায় ১৫০ বছর আগে ঘোড়াশালে দেশীয় জাতের আনারসের চাষ হতো। যার এরইমধ্যে বিলুপ্তি ঘটেছে। তারপর প্রায় ৫০ বছর আগে সিলেট থেকে পলাশের রাবানে আনারস আনা হয়। তখন থেকেই এখানে আনারসের চাষ করা হয়। বর্তমানে সফলতার সাথে এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। জলডুগি আনারস নামে পরিচিত হলেও এর বৈজ্ঞানীক না ‘হ্যানিকুইন’। এর স্বাদ খুবই মিষ্টি। জৈষ্ঠ্য মাসের শুরুতেই এর ভরা মৌসুম। তখনই বাজারে পাকা আনরস পাওয়া যায়। আর যারা দেড়ি করে বাগান করেন তাদের আনারস পাকতে আরো বেশি সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবান, কুড়াইতলী, বিলপাড়, কাটাবের, বরিবাড়ি সহ ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী, রাজাব, খাওগাইর, চামড়াবসহ অনেক স্থানেই আনারসের চাষ করা হয়। এবছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ করা হয়েছে। এর থেকে প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

রাবানের আনারস চাষী সমিরন রায় বলেন, আমি ১০ বিঘা জমিতে আনারস চাষ করেছি। এখন নিয়ে প্রায় ৩২ বছর যাবত এর চাষ করতেছি। এর চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে বিঘাপ্রতি প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার আনারস বিক্রি হয়। এতে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

অন্যান্য আরো কৃষকরা জানায়, এই ফলটি পচনশীল। এর সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে ভাল হতো। এছাড়াও এখানো এখানে সনাতন পদ্ধতিতে আনারসের চাষ করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে আরো ফলন পাওয়া যেত। আধুনিকতার যুগেও যদি আনারস সংরক্ষণ করা না যায় তাহলে আর কখন হবে। তারা একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।

পলাশ উপজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা বক্তার বলেন, চলতি বছর দাবদাহের কারণে সেচ ও বৃষ্টি হয়নি তাই আনারস বাজারজাত হতে দেড়ি হয়েছে। আমরা পোকামাকড়ের আক্রমণ ও বিভিন্ন রোগবালাই প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছি।