ঢাকা , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বৃদ্ধাশ্রমের আড়ালে ৭৯০ কোটি টাকার জালিয়াতি, যুক্তরাষ্ট্রে দণ্ডিত বাংলাদেশি নারী সঙ্গীর চেয়ে খাবারই প্রিয়? শুধু খেতে ডেটে যান ৩০ শতাংশ মার্কিনি একা পেয়ে যুবকের শরীরে আগুন ধরিয়ে দিল দুর্বৃত্তরা, এরপর… পুরোনো দিনের স্টাইলে নতুন লুক, আশির দশকের ফ্যাশনে এমপি জসিম ১৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় লংমার্চ, রাজপথে নামার ঘোষণা জামায়াতের একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিয়ে আলোচনায় ডলি বেগম লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘৮০-এর দশকের লুক’, আপনিও তৈরি করবেন যেভাবে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের ‘ফাঁদে’ পড়ে অন্তঃসত্ত্বা নবম শ্রেণির ছাত্রী, জানাজানি হতেই… যুবককে অপহরণ করে ভিডিও ধারণ, পরিবারের কাছে লাখ টাকা দাবি; গ্রেপ্তার ৩

নরসিংদীর রাবানে আনারস চাষে লাভবান কৃষকরা!

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩
  • / 514 বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট: নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবানে আনারস চাষ ঝুঁকছেন চাষিরা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া এর চাষের বেশ উপযোগী। স্থানীয় চাষিরা আবাদি, অনাবাদি জমি এমনকি বাড়িতেও আনারসের চাষ করে থাকেন। এছাড়াও সারাদেশে এখানকার উৎপাদিত আনারসের ব্যাপক সুনাম ও চাহিদা রয়েছে।

জানা যায়, আনারস নরসিংদীর চাষিদের প্রধান অর্থকরী ফসল। প্রায় ১৫০ বছর আগে ঘোড়াশালে দেশীয় জাতের আনারসের চাষ হতো। যার এরইমধ্যে বিলুপ্তি ঘটেছে। তারপর প্রায় ৫০ বছর আগে সিলেট থেকে পলাশের রাবানে আনারস আনা হয়। তখন থেকেই এখানে আনারসের চাষ করা হয়। বর্তমানে সফলতার সাথে এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। জলডুগি আনারস নামে পরিচিত হলেও এর বৈজ্ঞানীক না ‘হ্যানিকুইন’। এর স্বাদ খুবই মিষ্টি। জৈষ্ঠ্য মাসের শুরুতেই এর ভরা মৌসুম। তখনই বাজারে পাকা আনরস পাওয়া যায়। আর যারা দেড়ি করে বাগান করেন তাদের আনারস পাকতে আরো বেশি সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবান, কুড়াইতলী, বিলপাড়, কাটাবের, বরিবাড়ি সহ ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী, রাজাব, খাওগাইর, চামড়াবসহ অনেক স্থানেই আনারসের চাষ করা হয়। এবছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ করা হয়েছে। এর থেকে প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

রাবানের আনারস চাষী সমিরন রায় বলেন, আমি ১০ বিঘা জমিতে আনারস চাষ করেছি। এখন নিয়ে প্রায় ৩২ বছর যাবত এর চাষ করতেছি। এর চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে বিঘাপ্রতি প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার আনারস বিক্রি হয়। এতে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

অন্যান্য আরো কৃষকরা জানায়, এই ফলটি পচনশীল। এর সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে ভাল হতো। এছাড়াও এখানো এখানে সনাতন পদ্ধতিতে আনারসের চাষ করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে আরো ফলন পাওয়া যেত। আধুনিকতার যুগেও যদি আনারস সংরক্ষণ করা না যায় তাহলে আর কখন হবে। তারা একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।

পলাশ উপজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা বক্তার বলেন, চলতি বছর দাবদাহের কারণে সেচ ও বৃষ্টি হয়নি তাই আনারস বাজারজাত হতে দেড়ি হয়েছে। আমরা পোকামাকড়ের আক্রমণ ও বিভিন্ন রোগবালাই প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছি।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নরসিংদীর রাবানে আনারস চাষে লাভবান কৃষকরা!

প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট: নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবানে আনারস চাষ ঝুঁকছেন চাষিরা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া এর চাষের বেশ উপযোগী। স্থানীয় চাষিরা আবাদি, অনাবাদি জমি এমনকি বাড়িতেও আনারসের চাষ করে থাকেন। এছাড়াও সারাদেশে এখানকার উৎপাদিত আনারসের ব্যাপক সুনাম ও চাহিদা রয়েছে।

জানা যায়, আনারস নরসিংদীর চাষিদের প্রধান অর্থকরী ফসল। প্রায় ১৫০ বছর আগে ঘোড়াশালে দেশীয় জাতের আনারসের চাষ হতো। যার এরইমধ্যে বিলুপ্তি ঘটেছে। তারপর প্রায় ৫০ বছর আগে সিলেট থেকে পলাশের রাবানে আনারস আনা হয়। তখন থেকেই এখানে আনারসের চাষ করা হয়। বর্তমানে সফলতার সাথে এর ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। জলডুগি আনারস নামে পরিচিত হলেও এর বৈজ্ঞানীক না ‘হ্যানিকুইন’। এর স্বাদ খুবই মিষ্টি। জৈষ্ঠ্য মাসের শুরুতেই এর ভরা মৌসুম। তখনই বাজারে পাকা আনরস পাওয়া যায়। আর যারা দেড়ি করে বাগান করেন তাদের আনারস পাকতে আরো বেশি সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবান, কুড়াইতলী, বিলপাড়, কাটাবের, বরিবাড়ি সহ ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী, রাজাব, খাওগাইর, চামড়াবসহ অনেক স্থানেই আনারসের চাষ করা হয়। এবছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে আনারসের আবাদ করা হয়েছে। এর থেকে প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

রাবানের আনারস চাষী সমিরন রায় বলেন, আমি ১০ বিঘা জমিতে আনারস চাষ করেছি। এখন নিয়ে প্রায় ৩২ বছর যাবত এর চাষ করতেছি। এর চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভাল হলে বিঘাপ্রতি প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার আনারস বিক্রি হয়। এতে অধিক লাভবান হওয়া যায়।

অন্যান্য আরো কৃষকরা জানায়, এই ফলটি পচনশীল। এর সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে ভাল হতো। এছাড়াও এখানো এখানে সনাতন পদ্ধতিতে আনারসের চাষ করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে আরো ফলন পাওয়া যেত। আধুনিকতার যুগেও যদি আনারস সংরক্ষণ করা না যায় তাহলে আর কখন হবে। তারা একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।

পলাশ উপজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা বক্তার বলেন, চলতি বছর দাবদাহের কারণে সেচ ও বৃষ্টি হয়নি তাই আনারস বাজারজাত হতে দেড়ি হয়েছে। আমরা পোকামাকড়ের আক্রমণ ও বিভিন্ন রোগবালাই প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছি।