ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সম্পর্ক কি শুধুই সুবিধার হিসাব? ‘বেটার অপশন’ পেলেই বিচ্ছেদের প্রবণতা শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৫৯ বিজিবির ৫ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন সোশ্যাল মিডিয়ার গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির বেলাবতে চেয়ারম্যান প্রার্থী লাল মিয়ার  সমর্থনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, যাত্রীদের জন্য নতুন সুযোগ দেশীয় অস্ত্রসহ ইয়াবা মদ নগদ অর্থসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরন  অবৈধ ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ২

“কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
  • / 507 বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী সংবাদদাতা।। “কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে নরসিংদীতর কলা বাগানগুলোতে ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পরেছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত সোমবার সকাল থেকেই বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয় নরসিংদী জেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে বাতাসের তীব্রতা। এতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় জেলার কয়েক হাজার কলা বাগান।

নরসিংদী সদর, পলাশ ও মনোহরদী উপজেলা বেশি কলার চাষ হয়ে থাকে।

news

সদর উপজেলার কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘৬ মাস ধরে অনেক পরিশ্রম করে বাগানে কলা চাষ করেছি। অনেকের কাছে ধারদেনা করেত হয়েছে। আশায় ছিলাম এবার ভালো ফলন হলে সব দুঃখ মুছে যাবে। কিন্তু তা-আর হলো না। এক ঝড়ে সব শেষ আমাদের। এখন কি করবো? কিভাবে পরিবার নিয়ে চলবো বুঝিতে পারছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে অমৃত-সাগর কলার চাষ করেছিলাম। প্রায় সব কলা গাছই ঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়ে গেছে।’
মনোহরদী উপজেলার হতদরিদ্র চাষি সুরজ মিয়া বলেন, ‘অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাম্পা ও অমিতৃসাগর কলার চাষ করি। জমিতে ২০০ থেকে ১৫০টি কলাগাছ ছিল। এক মাস পরই সব কলা বাগান থেকে তুলে বাজারে বিক্রির স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু এখন সেই স্বপ্ন মাটিতে পড়ে আছে। একটি কলাগাছও নেই। সব ঝড়ে শেষ করে দিয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যার থেকে জমি বর্গা নিয়েছিলাম তাকে কি বলবো এবং আমি নিজেই’বা কিভাবে চলবো জানি না। আমার দুই লাখ টাকার ক্ষ.তি হয়েছে।’

এবিষয়ে জানতে জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘ ঝড়ে কলা বাগানের ক্ষ.তির কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ মৌসুমে জেলায় কত হেষ্টর জমিতে কলা চাষ হয় সেটাও এই মুর্হূতে বলতে পারছি না।’

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

নরসিংদী সংবাদদাতা।। “কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে নরসিংদীতর কলা বাগানগুলোতে ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পরেছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত সোমবার সকাল থেকেই বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয় নরসিংদী জেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে বাতাসের তীব্রতা। এতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় জেলার কয়েক হাজার কলা বাগান।

নরসিংদী সদর, পলাশ ও মনোহরদী উপজেলা বেশি কলার চাষ হয়ে থাকে।

news

সদর উপজেলার কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘৬ মাস ধরে অনেক পরিশ্রম করে বাগানে কলা চাষ করেছি। অনেকের কাছে ধারদেনা করেত হয়েছে। আশায় ছিলাম এবার ভালো ফলন হলে সব দুঃখ মুছে যাবে। কিন্তু তা-আর হলো না। এক ঝড়ে সব শেষ আমাদের। এখন কি করবো? কিভাবে পরিবার নিয়ে চলবো বুঝিতে পারছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে অমৃত-সাগর কলার চাষ করেছিলাম। প্রায় সব কলা গাছই ঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়ে গেছে।’
মনোহরদী উপজেলার হতদরিদ্র চাষি সুরজ মিয়া বলেন, ‘অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাম্পা ও অমিতৃসাগর কলার চাষ করি। জমিতে ২০০ থেকে ১৫০টি কলাগাছ ছিল। এক মাস পরই সব কলা বাগান থেকে তুলে বাজারে বিক্রির স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু এখন সেই স্বপ্ন মাটিতে পড়ে আছে। একটি কলাগাছও নেই। সব ঝড়ে শেষ করে দিয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যার থেকে জমি বর্গা নিয়েছিলাম তাকে কি বলবো এবং আমি নিজেই’বা কিভাবে চলবো জানি না। আমার দুই লাখ টাকার ক্ষ.তি হয়েছে।’

এবিষয়ে জানতে জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘ ঝড়ে কলা বাগানের ক্ষ.তির কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ মৌসুমে জেলায় কত হেষ্টর জমিতে কলা চাষ হয় সেটাও এই মুর্হূতে বলতে পারছি না।’