ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ নজরুলের চেতনার আজ আরও বেশি প্রয়োজন-নাসের রহমান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

“কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে
১১৬

নরসিংদী সংবাদদাতা।। “কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে নরসিংদীতর কলা বাগানগুলোতে ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পরেছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত সোমবার সকাল থেকেই বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয় নরসিংদী জেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে বাতাসের তীব্রতা। এতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় জেলার কয়েক হাজার কলা বাগান।

নরসিংদী সদর, পলাশ ও মনোহরদী উপজেলা বেশি কলার চাষ হয়ে থাকে।

news

সদর উপজেলার কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘৬ মাস ধরে অনেক পরিশ্রম করে বাগানে কলা চাষ করেছি। অনেকের কাছে ধারদেনা করেত হয়েছে। আশায় ছিলাম এবার ভালো ফলন হলে সব দুঃখ মুছে যাবে। কিন্তু তা-আর হলো না। এক ঝড়ে সব শেষ আমাদের। এখন কি করবো? কিভাবে পরিবার নিয়ে চলবো বুঝিতে পারছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে অমৃত-সাগর কলার চাষ করেছিলাম। প্রায় সব কলা গাছই ঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়ে গেছে।’
মনোহরদী উপজেলার হতদরিদ্র চাষি সুরজ মিয়া বলেন, ‘অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাম্পা ও অমিতৃসাগর কলার চাষ করি। জমিতে ২০০ থেকে ১৫০টি কলাগাছ ছিল। এক মাস পরই সব কলা বাগান থেকে তুলে বাজারে বিক্রির স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু এখন সেই স্বপ্ন মাটিতে পড়ে আছে। একটি কলাগাছও নেই। সব ঝড়ে শেষ করে দিয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যার থেকে জমি বর্গা নিয়েছিলাম তাকে কি বলবো এবং আমি নিজেই’বা কিভাবে চলবো জানি না। আমার দুই লাখ টাকার ক্ষ.তি হয়েছে।’

এবিষয়ে জানতে জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘ ঝড়ে কলা বাগানের ক্ষ.তির কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ মৌসুমে জেলায় কত হেষ্টর জমিতে কলা চাষ হয় সেটাও এই মুর্হূতে বলতে পারছি না।’

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
১১৬

নরসিংদী সংবাদদাতা।। “কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে, সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে”।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে নরসিংদীতর কলা বাগানগুলোতে ব্যাপক ক্ষ.তি হয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পরেছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত সোমবার সকাল থেকেই বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয় নরসিংদী জেলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করে বাতাসের তীব্রতা। এতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় জেলার কয়েক হাজার কলা বাগান।

নরসিংদী সদর, পলাশ ও মনোহরদী উপজেলা বেশি কলার চাষ হয়ে থাকে।

news

সদর উপজেলার কৃষক ইব্রাহিম বলেন, ‘৬ মাস ধরে অনেক পরিশ্রম করে বাগানে কলা চাষ করেছি। অনেকের কাছে ধারদেনা করেত হয়েছে। আশায় ছিলাম এবার ভালো ফলন হলে সব দুঃখ মুছে যাবে। কিন্তু তা-আর হলো না। এক ঝড়ে সব শেষ আমাদের। এখন কি করবো? কিভাবে পরিবার নিয়ে চলবো বুঝিতে পারছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে অমৃত-সাগর কলার চাষ করেছিলাম। প্রায় সব কলা গাছই ঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়ে গেছে।’
মনোহরদী উপজেলার হতদরিদ্র চাষি সুরজ মিয়া বলেন, ‘অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাম্পা ও অমিতৃসাগর কলার চাষ করি। জমিতে ২০০ থেকে ১৫০টি কলাগাছ ছিল। এক মাস পরই সব কলা বাগান থেকে তুলে বাজারে বিক্রির স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু এখন সেই স্বপ্ন মাটিতে পড়ে আছে। একটি কলাগাছও নেই। সব ঝড়ে শেষ করে দিয়ে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যার থেকে জমি বর্গা নিয়েছিলাম তাকে কি বলবো এবং আমি নিজেই’বা কিভাবে চলবো জানি না। আমার দুই লাখ টাকার ক্ষ.তি হয়েছে।’

এবিষয়ে জানতে জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিক বার ফোন দিলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান বলেন, ‘ ঝড়ে কলা বাগানের ক্ষ.তির কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এ মৌসুমে জেলায় কত হেষ্টর জমিতে কলা চাষ হয় সেটাও এই মুর্হূতে বলতে পারছি না।’