ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাটমোহরে কুপিবাতি-হ্যারিকেনের আলোয় পুথিপাঠের আসর চাটমোহর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আজ কালীগঞ্জে মেয়ে জামাই শশুরকে কুপিয়ে হত্যা, ফেসবুকে ভিডিও দিয়ে অভিযুক্তের থানায় আত্মসমর্পণ পার্কে বন্দুক হাতে পোজ, ভিডিও ভাইরাল হতেই পুলিশের তদন্ত বিয়ের আগে হবু দম্পতির যে ৭ প্রস্তুতি নেওয়া উচিত মরদেহ থেকে গয়না লুটের চেষ্টা, নেপালে গ্রেপ্তার দুজন ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার কালীগঞ্জের মিন্টু রুমিন ফারহানার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখতে পায় দুষ্ট লোকেরা’ অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ, ১১ বছরের শিশুর ধর্ষণ মামলায় চার্জশিট কক্সবাজারে যুবক হত্যা মামলার আসামির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
নবীনগরে সিগ্নতা ছড়াচ্ছে ছায়াবৃক্ষ কৃষ্ণচূড়া

নবীনগরে সিগ্নতা ছড়াচ্ছে ছায়াবৃক্ষ কৃষ্ণচূড়া

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ১০:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 230 বার পড়া হয়েছে

“গন্ধে উদাস হাওয়ার মতো উড়ে তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরি ” কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো অনেকেই বাংলা কবিতা-গানে উপমা হিসেবে নানা ভঙ্গিমায় এনেছেন কৃষ্ণচূড়াকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের পৌর শহরের রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ অফিস, বাসভবনে অসংখ্য কৃষ্ণচূড়া গাছ ডাল-পালা ছাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এ সব গাছে- গাছে ফুটে থাকা লাল ফুল পুরো পৌর শহরকে করেছে রক্তিম। গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি শহরের পথে-প্রান্তরেরও শোভা বর্ধন করে যাচ্ছে। গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে তখন প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানি দেয়। রক্তরাঙা ফুল কৃষ্ণচূড়ার নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য গ্রামের সবুজ প্রান্তর, আঁকাবাঁকা মেঠোপথ ও বাড়ির আঙ্গিনা ছাড়িয়ে রাঙিয়ে তুলেছে নবীনগরের পথ-প্রান্তর। কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাস্কার। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এ বৃক্ষ যেন এখন বাঙালির ঐতিহ্যের একটা অংশ হয়ে গেছে সবার অলক্ষে।

এ দেশে এসে পরিচিত হয়েছে নতুন নামে অনেকেই মন করেন শ্রীকৃষ্ণের নাম থেকে এ গাছ ও ফুলের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। এর সবচেয়ে বড় খ্যাতি মোহনীয় রক্তিম আভা। প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষের উচ্চত ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও এর শাখা-প্রশাখা বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। কৃষ্ণচূড়া পুরো গ্রীষ্ম ও বর্যায় প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখে। বিভিন্ন দেশে এই ফুল বিভিন্ন সময়ে ফুটলেও বাংলাদেশে ফুটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। এপ্রিলে গ্রীষ্মের শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সবুজ পাতার মাঝে বেরিয়ে আসতে থাকে লাল রঙের কৃষ্ণচূড়া ফুল। দূর থেকে দেখে মনে হয়- সবুজের বুকে হয়তো আগুন লেগেছে। নবীনগরের এখন রাস্তার মোড়ে-মোড়ে এবং বিভিন্ন ভবন ও অফিস পাড়ায় গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়ার লালআভা সৃষ্টি করেছে বৈচিত্যময় পরিবেশ। এখন (চৈত্রের শুরুতে) নগর গ্রামগঞ্জের দৃশ্যপট মোহনীয় করে তুলেছে রক্তরাঙ্গার কৃষ্ণচূড়া ফুল। গাছের ফুলের দিকে তাকালে চোখ জুড়ে যায়। ভারত ও পাকিস্তানের কৃষ্ণচূড়া গুলমোহর নামেই পরিচিত, বাংলাদেশে কৃষ্ণচূড়া।

নবীনগর পৌরসভার রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ অফিস, বাসভবনের ভবনে অসংখ্য কৃষ্ণচূড়া গাছ ডাল পালা ছাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়াও গ্রামীণ জনপদের পথ প্রান্তরে শোভ বর্ধন যাচ্ছে বৃক্ষটি। নবীনগর লঞ্চ ঘাট, সরকারি কলেজের শহিদ মিনারের পাশে, নবীনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে, বুড়ি নদীর তীরে, আদালত প্রাঙ্গনে, জমিদার বাড়ি, সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ কলেজ প্রাঙ্গণ, লাউর ফতেহপুর স্কুল চত্বরে, শ্যমগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানেও দেখা মিলবে রক্তরাঙা ফুলে আচ্ছন্ন কৃষ্ণচূড়া গাছের। কৃষ্ণচূড়া ফুলের রক্তিম জাগরণ পথচারিদের মুহূর্তের জন্য হলেও শিহরণ জাগায় এবং রৌদ্দুর দুপুরে কৃষ্ণচূড়া ছায়া দেয় প্রশান্তির।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে সিগ্নতা ছড়াচ্ছে ছায়াবৃক্ষ কৃষ্ণচূড়া

নবীনগরে সিগ্নতা ছড়াচ্ছে ছায়াবৃক্ষ কৃষ্ণচূড়া

প্রকাশের সময় : ১০:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

“গন্ধে উদাস হাওয়ার মতো উড়ে তোমার উত্তরী কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরি ” কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো অনেকেই বাংলা কবিতা-গানে উপমা হিসেবে নানা ভঙ্গিমায় এনেছেন কৃষ্ণচূড়াকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের পৌর শহরের রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ অফিস, বাসভবনে অসংখ্য কৃষ্ণচূড়া গাছ ডাল-পালা ছাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এ সব গাছে- গাছে ফুটে থাকা লাল ফুল পুরো পৌর শহরকে করেছে রক্তিম। গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি শহরের পথে-প্রান্তরেরও শোভা বর্ধন করে যাচ্ছে। গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে তখন প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানি দেয়। রক্তরাঙা ফুল কৃষ্ণচূড়ার নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য গ্রামের সবুজ প্রান্তর, আঁকাবাঁকা মেঠোপথ ও বাড়ির আঙ্গিনা ছাড়িয়ে রাঙিয়ে তুলেছে নবীনগরের পথ-প্রান্তর। কৃষ্ণচূড়ার আদি নিবাস পূর্ব আফ্রিকার মাদাগাস্কার। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এ বৃক্ষ যেন এখন বাঙালির ঐতিহ্যের একটা অংশ হয়ে গেছে সবার অলক্ষে।

এ দেশে এসে পরিচিত হয়েছে নতুন নামে অনেকেই মন করেন শ্রীকৃষ্ণের নাম থেকে এ গাছ ও ফুলের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। এর সবচেয়ে বড় খ্যাতি মোহনীয় রক্তিম আভা। প্রকৃতির শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষের উচ্চত ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠলেও এর শাখা-প্রশাখা বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। কৃষ্ণচূড়া পুরো গ্রীষ্ম ও বর্যায় প্রকৃতিকে মাতিয়ে রাখে। বিভিন্ন দেশে এই ফুল বিভিন্ন সময়ে ফুটলেও বাংলাদেশে ফুটে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত। এপ্রিলে গ্রীষ্মের শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই সবুজ পাতার মাঝে বেরিয়ে আসতে থাকে লাল রঙের কৃষ্ণচূড়া ফুল। দূর থেকে দেখে মনে হয়- সবুজের বুকে হয়তো আগুন লেগেছে। নবীনগরের এখন রাস্তার মোড়ে-মোড়ে এবং বিভিন্ন ভবন ও অফিস পাড়ায় গাছে গাছে কৃষ্ণচূড়ার লালআভা সৃষ্টি করেছে বৈচিত্যময় পরিবেশ। এখন (চৈত্রের শুরুতে) নগর গ্রামগঞ্জের দৃশ্যপট মোহনীয় করে তুলেছে রক্তরাঙ্গার কৃষ্ণচূড়া ফুল। গাছের ফুলের দিকে তাকালে চোখ জুড়ে যায়। ভারত ও পাকিস্তানের কৃষ্ণচূড়া গুলমোহর নামেই পরিচিত, বাংলাদেশে কৃষ্ণচূড়া।

নবীনগর পৌরসভার রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ অফিস, বাসভবনের ভবনে অসংখ্য কৃষ্ণচূড়া গাছ ডাল পালা ছাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়াও গ্রামীণ জনপদের পথ প্রান্তরে শোভ বর্ধন যাচ্ছে বৃক্ষটি। নবীনগর লঞ্চ ঘাট, সরকারি কলেজের শহিদ মিনারের পাশে, নবীনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে, বুড়ি নদীর তীরে, আদালত প্রাঙ্গনে, জমিদার বাড়ি, সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ কলেজ প্রাঙ্গণ, লাউর ফতেহপুর স্কুল চত্বরে, শ্যমগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানেও দেখা মিলবে রক্তরাঙা ফুলে আচ্ছন্ন কৃষ্ণচূড়া গাছের। কৃষ্ণচূড়া ফুলের রক্তিম জাগরণ পথচারিদের মুহূর্তের জন্য হলেও শিহরণ জাগায় এবং রৌদ্দুর দুপুরে কৃষ্ণচূড়া ছায়া দেয় প্রশান্তির।