ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের চেষ্টা, প্রতিবেশী বৃদ্ধদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঝিকরগাছা নাভারনে মসজিদের কাজে বিএনপি নেতার বাঁধা, মুসল্লিদের ক্ষোভ নামজারিতে ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এমপি আব্দুল মান্নানের কঠোর হুঁশিয়ারি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারের পাশে; প্রধানমন্ত্রী ৯৯৯-এ ফোনে ১০ পর্যটক ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী উদ্ধার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় রদ্রি আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন স্পেন ৫০ হাজার মানুষ মৌলভীবাজারে টিলা ধসের ঝুঁকিতে মৌলভীবাজারে চার উপজেলায় ৯৫ কি:মি: সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

নির্বাচনে হে‌রে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সা‌বেক চেয়ারম্যান

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২
  • / ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
48

জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট || নির্বাচনে হে‌রে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সা‌বেক চেয়ারম্যান
জয়পুরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ক্ষোভে কার্যালয়ের অফিস রুমে লাগানো এসি খুলে নিয়ে যান সাবেক চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলাম। ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউপি নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর পরিষদের অফিস রুমে লাগানো এসিটি তিনি বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে খুলে নিয়ে যান।

বুধবার (২ নভেম্বর) ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে প্রার্থী হাইকুল ইসলাম বিজয়ী হতে পারেননি। ৩ হাজার ৪০১ ভোটের ব্যবধানে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বজলুর রশিদের কাছে হেরে যান। এর পরদিন এসিটি খুলে নিয়ে যান।

ওই পরিষদের গ্রাম পুলিশ সামছুল ইসলাম বলেন, এসি তো চেয়ারম্যানের রুমেই ছিল। আজ ভ্যান নিয়ে এসে খুলে নিয়ে যান। এটি পরিষদের টাকার না ওনার ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কেনা তা আমি বলতে পারবো না।

ইউনিয়ন পরিষদের এসি খুলে নেওয়ার খবর শুনে পরিষদ এলাকায় বিকেলে মানুষের ভিড় জমে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে লাগানো মানে এটি সরকারি টাকায় কেনা। তাহলে এই এসি কেন খুলে নিয়ে যাবে। এভাবে নিয়ে যাওয়া মানে চুরি করা।

ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা রাহেনা বেগম বলেন, পরিষদে কেউ কিছু দান করলেও তা নিয়ে যায় না। আবার চেয়ারম্যান নিজের রুমে লাগানো এসি ভোটে হেরে যাওয়ার পর নিয়ে যাওয়া ঠিক নয়। আমরা চাই এসি এনে রুমে লাগিয়ে দেওয়া হোক।এ বিষয়ে হাইকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই এসি আমার ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। যার জন্য আমি খুলে নিয়ে এসেছি।

চম্পক কুমার/আরকে

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মেহেদী /প্রতিদিনের পোস্ট

 

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনে হে‌রে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সা‌বেক চেয়ারম্যান

প্রকাশের সময় : ১২:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২
48

জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট || নির্বাচনে হে‌রে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সা‌বেক চেয়ারম্যান
জয়পুরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ক্ষোভে কার্যালয়ের অফিস রুমে লাগানো এসি খুলে নিয়ে যান সাবেক চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলাম। ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউপি নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর পরিষদের অফিস রুমে লাগানো এসিটি তিনি বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে খুলে নিয়ে যান।

বুধবার (২ নভেম্বর) ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে প্রার্থী হাইকুল ইসলাম বিজয়ী হতে পারেননি। ৩ হাজার ৪০১ ভোটের ব্যবধানে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বজলুর রশিদের কাছে হেরে যান। এর পরদিন এসিটি খুলে নিয়ে যান।

ওই পরিষদের গ্রাম পুলিশ সামছুল ইসলাম বলেন, এসি তো চেয়ারম্যানের রুমেই ছিল। আজ ভ্যান নিয়ে এসে খুলে নিয়ে যান। এটি পরিষদের টাকার না ওনার ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কেনা তা আমি বলতে পারবো না।

ইউনিয়ন পরিষদের এসি খুলে নেওয়ার খবর শুনে পরিষদ এলাকায় বিকেলে মানুষের ভিড় জমে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে লাগানো মানে এটি সরকারি টাকায় কেনা। তাহলে এই এসি কেন খুলে নিয়ে যাবে। এভাবে নিয়ে যাওয়া মানে চুরি করা।

ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দা রাহেনা বেগম বলেন, পরিষদে কেউ কিছু দান করলেও তা নিয়ে যায় না। আবার চেয়ারম্যান নিজের রুমে লাগানো এসি ভোটে হেরে যাওয়ার পর নিয়ে যাওয়া ঠিক নয়। আমরা চাই এসি এনে রুমে লাগিয়ে দেওয়া হোক।এ বিষয়ে হাইকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই এসি আমার ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। যার জন্য আমি খুলে নিয়ে এসেছি।

চম্পক কুমার/আরকে

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মেহেদী /প্রতিদিনের পোস্ট