নোয়াখালীতে মাদ্রাসায় ভাঙচুরের খবর পেয়ে তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার ৫ পুলিশ, আটক ৭
- প্রকাশের সময় : ০৮:০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাঁদা দাবি, ক্ষতিসাধন ও প্রাণনাশের হুমকির লিখিত অভিযোগের তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের পাঁচ সদস্য। এ ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ আহত হয়েছেন পাঁচ পুলিশ সদস্য। পরে পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত সন্দেহে সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ মহিউদ্দিন, কনস্টেবল সাহাদাত হোসেন, আবু ইউসুফ ও গাড়িচালক ইছাক শেখ।
আটকরা হলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ছেমনা খাতুন (৫০), বিযাধনি (৬৫), মনোয়ারা (৪০), আয়েশা (৪০), অজিউল্লা (৭০), আবু সুফিয়ান (২৮) ও বোবা জাবের (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৯-১০ জনকে আসামি করে চাঁদা দাবি, ক্ষতিসাধন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেন দারুল ইহসান মাদ্রাসার চেয়ারম্যান নুরুল আবসার।
অভিযোগের তদন্তে মঙ্গলবার বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশ দুই পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসার কথা বলে সেখান থেকে চলে আসছিল।
এর কিছুক্ষণ পর বাদী নুরুল আবসার পুলিশকে ফোন করে জানান, অভিযুক্তরা মাদ্রাসায় প্রবেশ করে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাঙচুরের কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা পুলিশের ওপর লাঠি ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা চালায়।
এতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত সন্দেহে সাতজনকে আটক করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
























