ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে কুরবানির হাঁটে “কালো মানিক” শ্রীমঙ্গলে ডা. জুবায়ের সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণে অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন বখাটের ব্ল্যাকমেইলের শিকার নবম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ “ফ্রি ফায়ার” গেম নিয়ে মৌলভীবাজারে সংঘর্ষ বজ্রঘাতে পাঁচ চা-শ্রমিক নারী আহত কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত স্ক্রিনিং সাফল্যে প্রথম শ্রীমঙ্গল উপজেলার ডা. সিনথিয়া তাসমিন কালীগঞ্জে ভুমিসেবা মেলায় কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান কালীগঞ্জে সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগ বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬৭ বার পড়া হয়েছে
৮৭

অনলাইন ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মিয়ানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছেন। চীনের মধ্যস্ততায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে রাজি মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করে এ কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও সংকট সমাধানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেনি চীনা পক্ষ।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জিমিং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারা মিয়ানমারের পক্ষের সঙ্গে যেসব কথা বলেছেন তার ভিত্তিতে তারা ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফলাফল’ তুলে ধরতে যাচ্ছেন।

মিয়ানমারের আশ্বাস দিলেও গত পাঁচ বছরে একজনক রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি দেশটি। বাংলাদেশ কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে।

১৩ অক্টোবর চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন যে, একটি নির্দিষ্ট দেশের একতরফা প্রচেষ্টা নয় বরং রোহিঙ্গা ইস্যুটির মূল বিষয় হচ্ছে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়েই চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হওয়ায় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য চীন কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যদিও মিয়ানমারের বর্তমান অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখনো অনিশ্চয়তার সম্মুখীন তবুও ‘চীনের মধ্যস্থতায়’ উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়নি এবং প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমারের বর্তমান কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সারা/প্রতিদিনের পোস্ট

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২
৮৭

অনলাইন ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মিয়ানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছেন। চীনের মধ্যস্ততায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে রাজি মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করে এ কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও সংকট সমাধানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেনি চীনা পক্ষ।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জিমিং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তারা মিয়ানমারের পক্ষের সঙ্গে যেসব কথা বলেছেন তার ভিত্তিতে তারা ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফলাফল’ তুলে ধরতে যাচ্ছেন।

মিয়ানমারের আশ্বাস দিলেও গত পাঁচ বছরে একজনক রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি দেশটি। বাংলাদেশ কক্সবাজার ও ভাসানচরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে।

১৩ অক্টোবর চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন যে, একটি নির্দিষ্ট দেশের একতরফা প্রচেষ্টা নয় বরং রোহিঙ্গা ইস্যুটির মূল বিষয় হচ্ছে স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়েই চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হওয়ায় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য চীন কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যদিও মিয়ানমারের বর্তমান অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখনো অনিশ্চয়তার সম্মুখীন তবুও ‘চীনের মধ্যস্থতায়’ উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়নি এবং প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমারের বর্তমান কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সারা/প্রতিদিনের পোস্ট