ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের ‘ফাঁদে’ পড়ে অন্তঃসত্ত্বা নবম শ্রেণির ছাত্রী, জানাজানি হতেই… যুবককে অপহরণ করে ভিডিও ধারণ, পরিবারের কাছে লাখ টাকা দাবি; গ্রেপ্তার ৩ কিশোরীর কোমরে শিকল বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন, সিলেটে আটক ৩ নবীনগরে চিকিৎসকদের অবহেলায় সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ! নবীনগরে ছাত্রকে পেটানোয় শিক্ষক থানায় ছাত্রদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী: দেশের জন্য কাজ করুন, লেখাপড়া বাদ দিয়ে নয় নারীদের নির্যাতন করে বীরত্ব দেখানো যায় না, তারা কাপুরুষ’: রিজভী পুরোনো দিনের ছবি বানিয়ে তাক লাগাতে চান? ব্যবহার করুন এই ১০ নির্দেশনা প্রেমের কথা বলে ডেকে নিয়ে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ রাতের আঁধারে দুই বিঘা জমির কলাগাছ কেটে ফেলল প্রতিপক্ষ!

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
  • / 950 বার পড়া হয়েছে

আহত সাংবাদিক আবু উবাইদা

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ হামলার শিকার হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বরিশাল পত্রিকার প্রতিনিধি আবু উবাইদা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেইটের সামনে তাকে মারধর করা হয়। ছাত্রলীগের শান্ত-তমাল-আরাফাত গ্রুপের অনুসারী ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী শিশির আহমেদ সুমন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিমুল, বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের রাকিবসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে ।

ভুক্তভোগী আবু উবাইদা জানান, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনাকর সৃষ্টি হলে সেখানে পেশাদারিত্বের কারণে আমি ভিডিও করতে যাই। সাংবাদিক পরিচয় দিলেও আমার ওপর চড়াও হয় এবং কয়েকজন মারধর করে। পরে ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দিতে বাধ্য করে। এ ছাড়া ওই সময় ঘটনাস্থলে থাকা আরও কয়েকজন সংবাদকর্মীর ওপর তারা চড়াও হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী মেহরাব হোসেন বলেন, কোটা আন্দোলনের সময় দেখলাম সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে মারধর করে। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও তাকে এলোপাতাড়িভাবে পেটানো হয়।

অন্য একজন প্রত্যক্ষদর্শী শুভ মন্ডল বলেন, আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতে সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে আন্দোলন ভেঙে যায়।

এ বিষয়ে হামলাকারী সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সে কেন ভিডিও করবে, তাই তার ফোন কেড়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু তাকে মারধর করা হয়নি।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. আব্দুল কাইউম বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি জানলাম। তবে লিখিত কোনো অভিযোগ দিলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ হামলার শিকার হয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বরিশাল পত্রিকার প্রতিনিধি আবু উবাইদা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেইটের সামনে তাকে মারধর করা হয়। ছাত্রলীগের শান্ত-তমাল-আরাফাত গ্রুপের অনুসারী ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী শিশির আহমেদ সুমন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিমুল, বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের রাকিবসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী এ হামলায় জড়িত বলে জানা গেছে ।

ভুক্তভোগী আবু উবাইদা জানান, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনাকর সৃষ্টি হলে সেখানে পেশাদারিত্বের কারণে আমি ভিডিও করতে যাই। সাংবাদিক পরিচয় দিলেও আমার ওপর চড়াও হয় এবং কয়েকজন মারধর করে। পরে ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে দিতে বাধ্য করে। এ ছাড়া ওই সময় ঘটনাস্থলে থাকা আরও কয়েকজন সংবাদকর্মীর ওপর তারা চড়াও হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী মেহরাব হোসেন বলেন, কোটা আন্দোলনের সময় দেখলাম সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে মারধর করে। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও তাকে এলোপাতাড়িভাবে পেটানো হয়।

অন্য একজন প্রত্যক্ষদর্শী শুভ মন্ডল বলেন, আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতে সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে আন্দোলন ভেঙে যায়।

এ বিষয়ে হামলাকারী সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সে কেন ভিডিও করবে, তাই তার ফোন কেড়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু তাকে মারধর করা হয়নি।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. আব্দুল কাইউম বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি জানলাম। তবে লিখিত কোনো অভিযোগ দিলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।