ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জের জামালপুরে ১০১১ হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ  গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ,পাশে চিরকুট হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে মাহমুদের মরদেহ ধর্ষণের অভিযুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাব সদস্যদের উপর হামলার ঘটনায় নারী সহ আটক ৫ কালীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও চাঁদা দাবি , ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল লন্ডনে চতুর্থবারের মতো কাউন্সিলর হলেন মৌলভীবাজারের সাবিনা মোটরসাইকেলের কাগজ দেখতেই সামনে আসলো আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় বিড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ডাকাত দলের হামলায় র‍্যাবের ৩ সদস্য আহত কালীগঞ্জে আবদুল্লাহ্ এগ্রো ফুডে যৌথ অভিযান, জরিমানা ২ লাখ টাকা

ধর্ষণের অভিযুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে
১৬

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সংঘটিত নারী গণধর্ষণ মামলার অন্যতম পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (১৩ই মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ভানুগাছ রোডস্থ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম তাওহীদ মিয়া (৪৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মধ্য মুসলিমবাগ এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার ছেলে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ভিকটিম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বৌলাশির কান্দিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ই মে সকালে ভিকটিম ও তার খালাতো বোন খালাতো বোনের বন্ধু আব্দুল কাদিরের সঙ্গে দেখা করতে শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা এলাকায় যান। সেখানে একটি হোটেলে নাস্তা শেষে তাদের ভানুগাছ রোড বধ্যভূমি এলাকায় অপেক্ষা করতে বলা হয়।

পরে সকাল ৯টার দিকে সুহেল মিয়া নামে এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের তুলে মণিপুরিপাড়ার একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন আরমান মিয়া ও তাওহীদ মিয়া। একপর্যায়ে তারা ভিকটিমের খালাতো বোনকে তার বন্ধুর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে ভিকটিম, তার খালাতো বোন ও ওই বন্ধু ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করেন।

এ সময় অভিযুক্তরা ভিকটিমকে জোর করে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নেয়। পরে আরমান মিয়া ও তাওহীদ মিয়া তাকে মোটরসাইকেলে করে একটি চা বাগানের ভেতরের কলোনির ঘরে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার পর তাকে শহরের একটি সেতুর ওপর ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র‍্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি তাওহীদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্ষণের অভিযুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০২:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
১৬

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সংঘটিত নারী গণধর্ষণ মামলার অন্যতম পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (১৩ই মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ভানুগাছ রোডস্থ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম তাওহীদ মিয়া (৪৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মধ্য মুসলিমবাগ এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার ছেলে।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ভিকটিম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বৌলাশির কান্দিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ই মে সকালে ভিকটিম ও তার খালাতো বোন খালাতো বোনের বন্ধু আব্দুল কাদিরের সঙ্গে দেখা করতে শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা এলাকায় যান। সেখানে একটি হোটেলে নাস্তা শেষে তাদের ভানুগাছ রোড বধ্যভূমি এলাকায় অপেক্ষা করতে বলা হয়।

পরে সকাল ৯টার দিকে সুহেল মিয়া নামে এক ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাদের তুলে মণিপুরিপাড়ার একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন আরমান মিয়া ও তাওহীদ মিয়া। একপর্যায়ে তারা ভিকটিমের খালাতো বোনকে তার বন্ধুর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হলে ভিকটিম, তার খালাতো বোন ও ওই বন্ধু ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করেন।

এ সময় অভিযুক্তরা ভিকটিমকে জোর করে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে নেয়। পরে আরমান মিয়া ও তাওহীদ মিয়া তাকে মোটরসাইকেলে করে একটি চা বাগানের ভেতরের কলোনির ঘরে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার পর তাকে শহরের একটি সেতুর ওপর ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র‍্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি তাওহীদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান চলমান রয়েছে।