ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অপরাধী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না: আব্দুল মান্নান স্বামীর বিরুদ্ধে ক্ষোভের জেরে গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগ, স্ত্রী আটক নবীনগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০ কালীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনকে কারাদণ্ড বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, ৫ কিলোমিটার যানজট হাদিসে বর্ণিত কেয়ামতের দিনের সেই ৩ ব্যক্তি, যাদের সঙ্গে কথা বলবেন না আল্লাহ এক ক্লিকেই হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড? জেনে নিন কীভাবে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিসিক শিল্পনগরী’র গাছ বিক্রির অভিযোগ ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বড় ভাইয়ের বিদেশযাত্রা, এলাকায় চাঞ্চল্য যার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, তাকে নিয়ে মুখ খুললেন নোরা

হাদিসে বর্ণিত কেয়ামতের দিনের সেই ৩ ব্যক্তি, যাদের সঙ্গে কথা বলবেন না আল্লাহ

ইসলাম ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

মানুষের জন্য মৃত্যু এক অনিবার্য গন্তব্য। পৃথিবীর প্রিয় ঠিকানা ছেড়ে একদিন প্রত্যেকেই এই গন্তব্যে পৌঁছতে হবে। আর অনন্ত এই পথের শুরুতেই মানুষের কাছে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হয়

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থানকে তুলে ধরা হবে। সে যদি জান্নাতি হয়, তবে জান্নাতের বাসস্থান আর যদি সে জাহান্নামী হয়, তবে জাহান্নামের বাসস্থান। পরে বলা হবে, এই তোমার স্থান। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে কেয়ামতের দিন উত্থিত করবেন আর কেয়ামত প্রসঙ্গে রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘সেদিন মানুষ নিজের ভাই, নিজের মা, নিজের পিতা, নিজের স্ত্রী ও সন্তানাদি থেকে পালাবে। তাদের মধ্যে প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর সেদিন এমন সময় এসে পড়বে, সে নিজেকে ছাড়া আর কারও প্রতি লক্ষ করার মতো অবস্থা থাকবে না।’ (সুরা আবাসা: ৩৪-৩৭)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি মহানবীকে (সা.) বলতে শুনেছি, কেয়ামতের দিন মানুষ উলঙ্গ হয়ে খতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে এসে দাঁড়াবে। এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! নারী-পুরুষ সবাই কি উলঙ্গ থাকবে? এমন হলে তো খুবই লজ্জার ব্যাপার। উত্তরে হুজুর (সা.) বললেন, ‘হে আয়েশা, সেদিনের পরিস্থিতি এত ভয়ংকর হবে, কেউ কারও দিকে তাকানোর কথা কল্পনাও করতে পারবে না।’ (মুসলিম: ৬৯৩৪)

ভয়াবহ এই দিনে স্বয়ং আল্লাহতাআলাও তিন ব্যক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন না এবং গোনাহ থেকে তাদের পবিত্রও করবেন না।

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবুজর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাতাআলা কথা বলবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেন না এবং তাদের (গোনাহ থেকে) পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (মুসলিম: ১০৬)

এই তিন ব্যক্তি হলেন_

যে ব্যক্তি কোনো কিছু দান করে খোটা দেয়

যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে ব্যবসা করে

যে ব্যক্তি টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করে

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

হাদিসে বর্ণিত কেয়ামতের দিনের সেই ৩ ব্যক্তি, যাদের সঙ্গে কথা বলবেন না আল্লাহ

প্রকাশের সময় : ০৩:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

মানুষের জন্য মৃত্যু এক অনিবার্য গন্তব্য। পৃথিবীর প্রিয় ঠিকানা ছেড়ে একদিন প্রত্যেকেই এই গন্তব্যে পৌঁছতে হবে। আর অনন্ত এই পথের শুরুতেই মানুষের কাছে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হয়

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থানকে তুলে ধরা হবে। সে যদি জান্নাতি হয়, তবে জান্নাতের বাসস্থান আর যদি সে জাহান্নামী হয়, তবে জাহান্নামের বাসস্থান। পরে বলা হবে, এই তোমার স্থান। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে কেয়ামতের দিন উত্থিত করবেন আর কেয়ামত প্রসঙ্গে রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘সেদিন মানুষ নিজের ভাই, নিজের মা, নিজের পিতা, নিজের স্ত্রী ও সন্তানাদি থেকে পালাবে। তাদের মধ্যে প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর সেদিন এমন সময় এসে পড়বে, সে নিজেকে ছাড়া আর কারও প্রতি লক্ষ করার মতো অবস্থা থাকবে না।’ (সুরা আবাসা: ৩৪-৩৭)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি মহানবীকে (সা.) বলতে শুনেছি, কেয়ামতের দিন মানুষ উলঙ্গ হয়ে খতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে এসে দাঁড়াবে। এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! নারী-পুরুষ সবাই কি উলঙ্গ থাকবে? এমন হলে তো খুবই লজ্জার ব্যাপার। উত্তরে হুজুর (সা.) বললেন, ‘হে আয়েশা, সেদিনের পরিস্থিতি এত ভয়ংকর হবে, কেউ কারও দিকে তাকানোর কথা কল্পনাও করতে পারবে না।’ (মুসলিম: ৬৯৩৪)

ভয়াবহ এই দিনে স্বয়ং আল্লাহতাআলাও তিন ব্যক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন না এবং গোনাহ থেকে তাদের পবিত্রও করবেন না।

বিখ্যাত সাহাবি হজরত আবুজর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির সাথে কেয়ামতের দিন আল্লাতাআলা কথা বলবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেন না এবং তাদের (গোনাহ থেকে) পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (মুসলিম: ১০৬)

এই তিন ব্যক্তি হলেন_

যে ব্যক্তি কোনো কিছু দান করে খোটা দেয়

যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে ব্যবসা করে

যে ব্যক্তি টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করে