ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজুর ডাকে কক্সবাজারে গিয়েছিল স্কুলছাত্রী তাজমিন নির্জন পথে নিয়ে তাজমিনকে ধর্ষণ, পরে হত্যা বান্ধবী ভালো নয়’, সন্দেহে ৬ মাস মেয়েকে স্কুলে পাঠাননি মা! আমতলী চৌরাস্তার দখল হওয়া ট্রাফিক পুলিশ বক্স ১৭ বছরেও উদ্ধার হয়নি, ঝুঁকিতে জনগন গংগাচড়ায় বড় মসজিদের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি রায়হান সিরাজী ‎ ধামইরহাটে নজরুল বর্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান নরসিংদীর শিবপুরে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ প্রাইভেটকার জব্দ, আটক ১ মৌলভীবাজারে মাহফিলে কমলার হালি ৫০ হাজার, খেজুর কেজি ৩০ হাজার কালীগঞ্জে ক্যাফে শীতলক্ষ্যা ফুড পার্কের শুভ উদ্বোধন হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত

‎রংপুরে তালাবদ্ধ বাসায় মিলল একই পরিবারের চার লাশ

মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল
মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 106 বার পড়া হয়েছে

রংপুর নগরীতে একটি তালাবদ্ধ বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে।
‎
‎শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর পশ্চিম জুম্মাপাড়া ও মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
‎
‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বাসাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যদের কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে বাসার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
‎
‎খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে একটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশ জানায়, নিহত গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল গত বছরের ডিসেম্বরে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি রংপুর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে চিকিৎসাসেবা দিতেন।
‎
‎চারজনের মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি হত্যাকাণ্ড, নাকি পারিবারিক কোনো ঘটনার পর তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎মৃত্যুর কারণ ও সময় নির্ধারণে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত দল কাজ করছে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
‎

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

‎রংপুরে তালাবদ্ধ বাসায় মিলল একই পরিবারের চার লাশ

প্রকাশের সময় : ০৩:১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরীতে একটি তালাবদ্ধ বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে।
‎
‎শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর পশ্চিম জুম্মাপাড়া ও মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
‎
‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বাসাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যদের কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে বাসার ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
‎
‎খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে একটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশ জানায়, নিহত গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল গত বছরের ডিসেম্বরে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি রংপুর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে চিকিৎসাসেবা দিতেন।
‎
‎চারজনের মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি হত্যাকাণ্ড, নাকি পারিবারিক কোনো ঘটনার পর তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎মৃত্যুর কারণ ও সময় নির্ধারণে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত দল কাজ করছে। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
‎