ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অংশীদারদের না জানিয়ে ৩ আমগাছ বিক্রির অভিযোগ অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া শ্রীমঙ্গলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা কুলাউড়ায় ডাকাতির ঘটনায় ২ জনসহ গ্রেপ্তার-৭ আমতলীতে মাদক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রেফতার কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু কালীগঞ্জে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ভাঙ্গারী স্পোর্টিং ক্লাব টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে কালীগঞ্জে লক্ষ্মীপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা বাবলু মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ ছাত্র আরিফ ১৮ দিনেও মিলেনি সন্ধান

অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 5 বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের বহুল আলোচিত চম্পা বেগমকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

চম্পা বেগম বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, দেহ ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও তিনি প্রতিবারই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন।

গ্রামে থেকেও অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক সকল প্রযুক্তি তিনি কাজে লাগাতেন। তার বাড়িতে রয়েছে একাধিক সিসি ক্যামেরা। এছাড়াও তার অবৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের নিয়ে একাধিক টিম সবসময় সক্রিয় থাকতো।

চম্পা বেগম উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের মৃত আঃ হক বিশ্বাসের মেয়ে।

সূত্র মতে, দীর্ঘদিন থেকে চম্পাকে গ্রেফতারের জন্য আমতলী থানা পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে শেষমেশ ২৭/১০/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুঃ ০৭.০০ ঘটিকার সময়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

আমতলী থানার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, চম্পার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৭টি মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এজন্য আমরা মাদক ক্রয় বিক্রয়ের গডফাদার, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও সহায়তাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সেই সাথে তিনি মাদক কারবারি ও সহায়তাকারীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য উপজেলার প্রতিটি নাগরিকদের কাছে অনুরোধ জানান।

এদিকে চম্পার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিষ্টি বিতরণসহ এলাকাবাসী আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। এলাকাবাসী তাকে রিমান্ডে এনে মাদকসহ তার অপরাধ জগতের সকল তথ্য বের করে সে অনুযায়ী সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া

প্রকাশের সময় : ০২:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের বহুল আলোচিত চম্পা বেগমকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

চম্পা বেগম বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, দেহ ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও তিনি প্রতিবারই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন।

গ্রামে থেকেও অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক সকল প্রযুক্তি তিনি কাজে লাগাতেন। তার বাড়িতে রয়েছে একাধিক সিসি ক্যামেরা। এছাড়াও তার অবৈধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের নিয়ে একাধিক টিম সবসময় সক্রিয় থাকতো।

চম্পা বেগম উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের মৃত আঃ হক বিশ্বাসের মেয়ে।

সূত্র মতে, দীর্ঘদিন থেকে চম্পাকে গ্রেফতারের জন্য আমতলী থানা পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে শেষমেশ ২৭/১০/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুঃ ০৭.০০ ঘটিকার সময়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

আমতলী থানার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, চম্পার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৭টি মামলা রয়েছে।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোকনা কেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এজন্য আমরা মাদক ক্রয় বিক্রয়ের গডফাদার, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও সহায়তাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সেই সাথে তিনি মাদক কারবারি ও সহায়তাকারীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য উপজেলার প্রতিটি নাগরিকদের কাছে অনুরোধ জানান।

এদিকে চম্পার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় মিষ্টি বিতরণসহ এলাকাবাসী আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। এলাকাবাসী তাকে রিমান্ডে এনে মাদকসহ তার অপরাধ জগতের সকল তথ্য বের করে সে অনুযায়ী সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।