ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম; সমন্বয়হীনতায় ঝূঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক মানের গেইট নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর আন্তর্জাতিক মে দিবসে কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারী-যুবক আটক এক হাতে রক্তের ব্যাগ অন্য হাতে কলমের ছোঁয়ায় এসএসসি পরীক্ষা সিনড নেতৃবৃন্দের সিলেট জেলার খাসিয়া সম্প্রদায়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভা টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত;কৃষকের কপালে ভাঁজ শ্রীমঙ্গলে দা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা আসামি ছিনতাই মুক্তার হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে ঘুষিতে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে দুই দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে অথবা হেলে পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সরেজিমন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, কেন্দুয়া ইউনিয়ন এবং ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, নবগ্রাম ইউনিয়নের আমন ধান ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে হওয়া বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া জেলার শিবচর, রাজৈর ও কালকিনির বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, কিছু জমির পাকা আমন ধান ও কিছু কিছু জমির কাচা ও আধা কাচা ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামের কৃষক রাসেল মল্লিক, ইউনুস মোড়লসহ অন্য কৃষকরা বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে হওয়া তীব্র বাতাস ও বৃষ্টিতে গ্রামের সব আমন চাষির ধান হেলে পড়েছে অথবা তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এছাড়া চার বিঘা জমির একটি টমোটা ক্ষেত পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

একই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন মল্লিক বলেন, ‘আমাদের ২০ বিঘা জমির আমন ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। আমরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছি। সরকার বাহাদুর আমাদের যদি কোনো অনুদান দেয় তাহলে এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক দ্বিগবিজয় হাজরা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে যে সব কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরী করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। পরে সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কোনো প্রণোদনা আসলে তালিকাভুক্ত কৃষকদের তা প্রদান করা হবে।’

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

মাদারীপুর প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে দুই দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে অথবা হেলে পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সরেজিমন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, কেন্দুয়া ইউনিয়ন এবং ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, নবগ্রাম ইউনিয়নের আমন ধান ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে হওয়া বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া জেলার শিবচর, রাজৈর ও কালকিনির বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, কিছু জমির পাকা আমন ধান ও কিছু কিছু জমির কাচা ও আধা কাচা ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামের কৃষক রাসেল মল্লিক, ইউনুস মোড়লসহ অন্য কৃষকরা বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে হওয়া তীব্র বাতাস ও বৃষ্টিতে গ্রামের সব আমন চাষির ধান হেলে পড়েছে অথবা তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এছাড়া চার বিঘা জমির একটি টমোটা ক্ষেত পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

একই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন মল্লিক বলেন, ‘আমাদের ২০ বিঘা জমির আমন ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। আমরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছি। সরকার বাহাদুর আমাদের যদি কোনো অনুদান দেয় তাহলে এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক দ্বিগবিজয় হাজরা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে যে সব কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরী করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। পরে সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কোনো প্রণোদনা আসলে তালিকাভুক্ত কৃষকদের তা প্রদান করা হবে।’