ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ নজরুলের চেতনার আজ আরও বেশি প্রয়োজন-নাসের রহমান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
১২৭

মাদারীপুর প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে দুই দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে অথবা হেলে পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সরেজিমন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, কেন্দুয়া ইউনিয়ন এবং ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, নবগ্রাম ইউনিয়নের আমন ধান ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে হওয়া বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া জেলার শিবচর, রাজৈর ও কালকিনির বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, কিছু জমির পাকা আমন ধান ও কিছু কিছু জমির কাচা ও আধা কাচা ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামের কৃষক রাসেল মল্লিক, ইউনুস মোড়লসহ অন্য কৃষকরা বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে হওয়া তীব্র বাতাস ও বৃষ্টিতে গ্রামের সব আমন চাষির ধান হেলে পড়েছে অথবা তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এছাড়া চার বিঘা জমির একটি টমোটা ক্ষেত পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

একই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন মল্লিক বলেন, ‘আমাদের ২০ বিঘা জমির আমন ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। আমরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছি। সরকার বাহাদুর আমাদের যদি কোনো অনুদান দেয় তাহলে এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক দ্বিগবিজয় হাজরা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে যে সব কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরী করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। পরে সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কোনো প্রণোদনা আসলে তালিকাভুক্ত কৃষকদের তা প্রদান করা হবে।’

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২
১২৭

মাদারীপুর প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাদারীপুরে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে দুই দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে অথবা হেলে পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সরেজিমন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, কেন্দুয়া ইউনিয়ন এবং ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম, নবগ্রাম ইউনিয়নের আমন ধান ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে হওয়া বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া জেলার শিবচর, রাজৈর ও কালকিনির বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষকরা বলছেন, কিছু জমির পাকা আমন ধান ও কিছু কিছু জমির কাচা ও আধা কাচা ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামের কৃষক রাসেল মল্লিক, ইউনুস মোড়লসহ অন্য কৃষকরা বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে হওয়া তীব্র বাতাস ও বৃষ্টিতে গ্রামের সব আমন চাষির ধান হেলে পড়েছে অথবা তলিয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এছাড়া চার বিঘা জমির একটি টমোটা ক্ষেত পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

একই গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন মল্লিক বলেন, ‘আমাদের ২০ বিঘা জমির আমন ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। আমরা অনেক ক্ষতির মুখে পড়ছি। সরকার বাহাদুর আমাদের যদি কোনো অনুদান দেয় তাহলে এই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।’

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক দ্বিগবিজয় হাজরা বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে যে সব কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। আমরা খুব তাড়াতাড়ি কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরী করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। পরে সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কোনো প্রণোদনা আসলে তালিকাভুক্ত কৃষকদের তা প্রদান করা হবে।’