ঢাকা , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে মাহফিলে কমলার হালি ৫০ হাজার, খেজুর কেজি ৩০ হাজার কালীগঞ্জে ক্যাফে শীতলক্ষ্যা ফুড পার্কের শুভ উদ্বোধন হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত ধামইরহাটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর আবসিক কোয়াটারে দুঃসাহসিক চুরি  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ ও ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ আদালত চত্বর থেকে পুলিশের বাইক চুরি, তদন্তে বেরিয়ে এলো চোরচক্রের নেটওয়ার্ক বিদ্যাকুটে বশির সমর্থকদের বিশাল মিছিল, চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ঘিরে আলোচনা নবীনগরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সেমিনার ও আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

রামিসার মা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 216 বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশু হওয়ায় রামিসার বোন রাইসা আক্তারের সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। তিনি মামলার তৃতীয় সাক্ষী।

এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেন নিহত রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার এবং বোন রাইসা আক্তার। সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পারভীন আক্তার। তিনি মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে, ঘটনার পর ঘরে গিয়ে তিনি মেয়ের মরদেহের ভয়াবহ অবস্থা দেখতে পান এবং তা দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, পারভীন আক্তারের সাক্ষ্যের কিছু অংশ সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সাক্ষ্যকালে হান্নান মোল্লা আদালতকে জানান, আসামি সোহেল রানাই তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন।

এর আগে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ১ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এর আগে ২৪ মে পুলিশ সোহেল রানা ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ঢাকার সিএমএম আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। মামলায় মোট ১৫ জনকে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

রামিসার মা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

প্রকাশের সময় : ০১:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

রাজধানীতে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশু হওয়ায় রামিসার বোন রাইসা আক্তারের সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। তিনি মামলার তৃতীয় সাক্ষী।

এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেন নিহত রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার এবং বোন রাইসা আক্তার। সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পারভীন আক্তার। তিনি মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে, ঘটনার পর ঘরে গিয়ে তিনি মেয়ের মরদেহের ভয়াবহ অবস্থা দেখতে পান এবং তা দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, পারভীন আক্তারের সাক্ষ্যের কিছু অংশ সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সাক্ষ্যকালে হান্নান মোল্লা আদালতকে জানান, আসামি সোহেল রানাই তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার কামনা করেন।

এর আগে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ১ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এর আগে ২৪ মে পুলিশ সোহেল রানা ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ঢাকার সিএমএম আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। মামলায় মোট ১৫ জনকে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।