ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অংশীদারদের না জানিয়ে ৩ আমগাছ বিক্রির অভিযোগ অবশেষে ধরা পড়লেন দক্ষিণের ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ চম্পা, আমতলীতে স্বস্তির হাওয়া শ্রীমঙ্গলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা কুলাউড়ায় ডাকাতির ঘটনায় ২ জনসহ গ্রেপ্তার-৭ আমতলীতে মাদক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রেফতার কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু কালীগঞ্জে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ভাঙ্গারী স্পোর্টিং ক্লাব টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে কালীগঞ্জে লক্ষ্মীপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা বাবলু মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ ছাত্র আরিফ ১৮ দিনেও মিলেনি সন্ধান

ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধারালো অস্ত্র জমার নির্দেশ উপজেলা আওয়ামীলীগের

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩
  • / 271 বার পড়া হয়েছে

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র আগামী তিন দিনের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বিরোধ মেটাতে রোববার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সমঝোতা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয় ছাত্রলীগকে।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের অন্তত পাঁচজন নেতা জানিয়েছেন, রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির এক নেতার বাড়িতে বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য বদরুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। একটানা প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক চলে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ সোমবার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ‘দুই পক্ষের বিরোধ মিটমাট হয়েছে। সংঘর্ষের সময় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র তিন দিনের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে জমা দিতে উভয় পক্ষকে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে সংঘর্ষে জড়ালে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, পূর্ববিরোধের জের ধরে ৭ জুন উপজেলা সদরের ভবানীগঞ্জ বাজার চৌমোহনা এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ভূঁইয়ার অনুসারীরা দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান।

এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। এ সময় সিএনজিচালিত কয়েকটি অটোরিকশায় ভাঙচুর চালানো হয়। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা প্রায় আধঘণ্টা জুড়ী-লাঠিটিলা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

জুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ূন কবির বলেন, এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। কোনো মামলাও হয়নি।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধারালো অস্ত্র জমার নির্দেশ উপজেলা আওয়ামীলীগের

প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র আগামী তিন দিনের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বিরোধ মেটাতে রোববার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সমঝোতা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয় ছাত্রলীগকে।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের অন্তত পাঁচজন নেতা জানিয়েছেন, রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির এক নেতার বাড়িতে বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য বদরুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। একটানা প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক চলে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ সোমবার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ‘দুই পক্ষের বিরোধ মিটমাট হয়েছে। সংঘর্ষের সময় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র তিন দিনের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে জমা দিতে উভয় পক্ষকে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে সংঘর্ষে জড়ালে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, পূর্ববিরোধের জের ধরে ৭ জুন উপজেলা সদরের ভবানীগঞ্জ বাজার চৌমোহনা এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ভূঁইয়ার অনুসারীরা দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান।

এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। এ সময় সিএনজিচালিত কয়েকটি অটোরিকশায় ভাঙচুর চালানো হয়। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা প্রায় আধঘণ্টা জুড়ী-লাঠিটিলা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

জুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ূন কবির বলেন, এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। কোনো মামলাও হয়নি।