ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা কুলাউড়ায় ডাকাতির ঘটনায় ২ জনসহ গ্রেপ্তার-৭ আমতলীতে মাদক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রেফতার কালীগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু কালীগঞ্জে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ভাঙ্গারী স্পোর্টিং ক্লাব টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে কালীগঞ্জে লক্ষ্মীপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা বাবলু মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ ছাত্র আরিফ ১৮ দিনেও মিলেনি সন্ধান বসুন্ধরা শুভ সংঘের বিভাগীয় সম্মেলনে সম্মানিত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান প্রবাসীর স্ত্রীকে ভিডিওর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, গ্রেপ্তার মাদরাসাশিক্ষক

পানিশূন্যতায় আঊশের স্বপ্নে আমন চাষেও ভেস্তের পথে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩
  • / 303 বার পড়া হয়েছে

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চলতি মৌসুমে চাহিদা মতো আউশ আবাদ করতে পারেননি কৃষকেরা। আমন চাষের স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেন চাষাবাদ। কিন্তু সে স্বপ্নও ভেস্তে যাওয়ার পথে। ভরা বর্ষাতেও হয়নি বৃষ্টি। পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষ। বর্ষার মৌসুমে পানিশূন্য।

কৃষকেরা জানান, আউশ মৌসুমে পানির অভাবে ফসল আবাদ করা যায়নি। আমন মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হলেও চারা রোপণের সময় তীব্র পানির সংকট দেখা দিয়েছে। যারা সেচ দিয়ে সম্ভব হয়েছে পানি দিচ্ছেন। আর যাদের সেচ দিয়ে পানি দেওয়ার সুযোগ নেই তারা বৃষ্টির জন্য একবুক আশা নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আউশের মতো আমন ফসল ও আবাদ না হলে কৃষকদের কষ্টের হয়ে পড়বে আগামী ৬ মাস।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের বরাতে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপজেলায় ব্যাপক হাড়ে আমন ধান চাষ করা হয়। তীব্র খরার কারণে আউশ ধান আবাদ ব্যাহত হয়েছে। এখন পানির জন্য কৃষকেরা আমনের চারা রোপণ করতে পারছেন না পানিশূন্য চারিদিক।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর, আলীনগর, রহিমপুর ও পতনঊষার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, কৃষকেরা আমনের চারা রোপণ করছেন। পানির অভাবে অনেক কৃষকের চারা রোপণ করতে পারছেন না। কেউ আবার সেচের মাধ্যমে পানি দিচ্ছেন চারা রোপণের জন্য জমিতে। আবার যারা চারা রোপণ করছেন তাঁদের অনেকের জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। খা খা করছে জমিগুলো।

উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কৃষক সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আমি আঊশ ধান চাষ করতে পারিনি। আমন ধান চাষের জন্য আগাম টাকা এনেছি ধানের দোকান থেকে। এখন পানির অভাবে আমনের চারা ও নষ্ট হচ্ছে।’

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, এই উপজেলায় সব মৌসুমে ধান চাষ করা হয়। অনাবৃষ্টির কারণে আমন চাষাবাদে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। বৃষ্টি হলে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

পানিশূন্যতায় আঊশের স্বপ্নে আমন চাষেও ভেস্তের পথে

প্রকাশের সময় : ১১:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চলতি মৌসুমে চাহিদা মতো আউশ আবাদ করতে পারেননি কৃষকেরা। আমন চাষের স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেন চাষাবাদ। কিন্তু সে স্বপ্নও ভেস্তে যাওয়ার পথে। ভরা বর্ষাতেও হয়নি বৃষ্টি। পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষ। বর্ষার মৌসুমে পানিশূন্য।

কৃষকেরা জানান, আউশ মৌসুমে পানির অভাবে ফসল আবাদ করা যায়নি। আমন মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হলেও চারা রোপণের সময় তীব্র পানির সংকট দেখা দিয়েছে। যারা সেচ দিয়ে সম্ভব হয়েছে পানি দিচ্ছেন। আর যাদের সেচ দিয়ে পানি দেওয়ার সুযোগ নেই তারা বৃষ্টির জন্য একবুক আশা নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আউশের মতো আমন ফসল ও আবাদ না হলে কৃষকদের কষ্টের হয়ে পড়বে আগামী ৬ মাস।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের বরাতে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপজেলায় ব্যাপক হাড়ে আমন ধান চাষ করা হয়। তীব্র খরার কারণে আউশ ধান আবাদ ব্যাহত হয়েছে। এখন পানির জন্য কৃষকেরা আমনের চারা রোপণ করতে পারছেন না পানিশূন্য চারিদিক।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর, আলীনগর, রহিমপুর ও পতনঊষার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, কৃষকেরা আমনের চারা রোপণ করছেন। পানির অভাবে অনেক কৃষকের চারা রোপণ করতে পারছেন না। কেউ আবার সেচের মাধ্যমে পানি দিচ্ছেন চারা রোপণের জন্য জমিতে। আবার যারা চারা রোপণ করছেন তাঁদের অনেকের জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। খা খা করছে জমিগুলো।

উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কৃষক সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আমি আঊশ ধান চাষ করতে পারিনি। আমন ধান চাষের জন্য আগাম টাকা এনেছি ধানের দোকান থেকে। এখন পানির অভাবে আমনের চারা ও নষ্ট হচ্ছে।’

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, এই উপজেলায় সব মৌসুমে ধান চাষ করা হয়। অনাবৃষ্টির কারণে আমন চাষাবাদে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। বৃষ্টি হলে এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।