ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে গ্লাসের আঘাতে যুবক খুন; অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে
১৭

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চায়ের দোকানে পানি খাওয়ার গ্লাস নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে কাচের গ্লাসের আঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬শে জুন) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তি: সোহেল মিয়া (৩৪), উপজেলার আলিশারকুল গ্রামের মৃত ফুল মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের সিন্দুরখান সড়কে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তি: ইসমাইল মিয়া (৩২), সিন্দুরখান সড়ক এলাকার ফজর আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার সকালের দিকে সোহেল মিয়া সিন্দুরখান সড়কের সিএনজি স্ট্যান্ডসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। সেখানে পানি খাওয়ার গ্লাস দেওয়া নিয়ে ইসমাইল মিয়ার সঙ্গে তাঁর তীব্র কথাকাটাকাটি শুরু হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ইসমাইল উত্তেজিত হয়ে দোকানের একটি কাচের গ্লাস দিয়ে সোহেলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সোহেলকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর মাথায় পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। তবে দুপুরের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকলে তাঁকে আবারও হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অনির্বাণ দেব জানান,”সোহেল মিয়ার মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং সেখানে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছিল। দুপুরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পুনরায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।”

সোহেল মিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে পুলিশ পৌর শহরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। অভিযানকালে অভিযুক্ত ইসমাইল মিয়াকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক বলেন,”মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।”

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রীমঙ্গলে গ্লাসের আঘাতে যুবক খুন; অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
১৭

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চায়ের দোকানে পানি খাওয়ার গ্লাস নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে কাচের গ্লাসের আঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬শে জুন) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তি: সোহেল মিয়া (৩৪), উপজেলার আলিশারকুল গ্রামের মৃত ফুল মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের সিন্দুরখান সড়কে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তি: ইসমাইল মিয়া (৩২), সিন্দুরখান সড়ক এলাকার ফজর আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার সকালের দিকে সোহেল মিয়া সিন্দুরখান সড়কের সিএনজি স্ট্যান্ডসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। সেখানে পানি খাওয়ার গ্লাস দেওয়া নিয়ে ইসমাইল মিয়ার সঙ্গে তাঁর তীব্র কথাকাটাকাটি শুরু হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ইসমাইল উত্তেজিত হয়ে দোকানের একটি কাচের গ্লাস দিয়ে সোহেলের মাথায় সজোরে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সোহেলকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর মাথায় পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে যান। তবে দুপুরের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকলে তাঁকে আবারও হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অনির্বাণ দেব জানান,”সোহেল মিয়ার মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং সেখানে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছিল। দুপুরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পুনরায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।”

সোহেল মিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে পুলিশ পৌর শহরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। অভিযানকালে অভিযুক্ত ইসমাইল মিয়াকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক বলেন,”মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।”