ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমানে ৪৫৯ বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা

মোঃ বাবলু , সিনিয়র রিপোর্টার
মোঃ বাবলু , সিনিয়র রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 9 বার পড়া হয়েছে

ওমানে বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত একদল বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেছেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক। এই ক্ষমার আওতায় দেশটিতে কারাবন্দি মোট ৪৫৯ জন মুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন, যাদের মধ্যে ওমানের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসীরাও রয়েছেন। মূলত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বা নবীজির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এবং বন্দিদের পরিবারের কথা বিবেচনা করে সুলতান এই মহানুভবতার নিদর্শন রেখেছেন।

মঙ্গলবার এক রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে বন্দিদের মুক্তির এই নির্দেশনা জারি করা হয়। ওমানের ঐতিহ্য ও বিচার ব্যবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনায় এ ধরনের ক্ষমা ঘোষণার রেওয়াজ বেশ পুরনো। সুলতান হাইথাম বিন তারিক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসে কারাবন্দিদের দ্বিতীয়বার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিয়ে আসছেন। এই পদক্ষেপের ফলে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এর আগেও বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব উপলক্ষে ওমানে বন্দিদের ক্ষমা করার বহু নজির রয়েছে। বিশেষ করে প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, ওমানের জাতীয় দিবস এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোতে সুলতানের পক্ষ থেকে এমন রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে। সাধারণত কারাগারে কাটানো সময়ে বন্দিদের আচরণ এবং নিজেদের সংশোধনের সদিচ্ছাকে এসব রাজকীয় ক্ষমার ক্ষেত্রে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ওমানে ৪৫৯ বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ওমানে বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত একদল বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেছেন সুলতান হাইথাম বিন তারিক। এই ক্ষমার আওতায় দেশটিতে কারাবন্দি মোট ৪৫৯ জন মুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন, যাদের মধ্যে ওমানের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসীরাও রয়েছেন। মূলত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বা নবীজির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এবং বন্দিদের পরিবারের কথা বিবেচনা করে সুলতান এই মহানুভবতার নিদর্শন রেখেছেন।

মঙ্গলবার এক রাজকীয় আদেশের মাধ্যমে বন্দিদের মুক্তির এই নির্দেশনা জারি করা হয়। ওমানের ঐতিহ্য ও বিচার ব্যবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনায় এ ধরনের ক্ষমা ঘোষণার রেওয়াজ বেশ পুরনো। সুলতান হাইথাম বিন তারিক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসে কারাবন্দিদের দ্বিতীয়বার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিয়ে আসছেন। এই পদক্ষেপের ফলে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এর আগেও বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব উপলক্ষে ওমানে বন্দিদের ক্ষমা করার বহু নজির রয়েছে। বিশেষ করে প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, ওমানের জাতীয় দিবস এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর মতো তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোতে সুলতানের পক্ষ থেকে এমন রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করা হয়ে থাকে। সাধারণত কারাগারে কাটানো সময়ে বন্দিদের আচরণ এবং নিজেদের সংশোধনের সদিচ্ছাকে এসব রাজকীয় ক্ষমার ক্ষেত্রে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।