বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধ, গঙ্গাচড়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর
- প্রকাশের সময় : ০৪:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / 19 বার পড়া হয়েছে
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধ ও মাদকবিরোধী অবস্থানকে কেন্দ্র করে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ তিনজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মর্নেয়া ইউনিয়নের কামদেব শেখপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মীর কাসেম মিঠু আফিজ, আকিব ও নিবিড় ব্র্যান্ডের বিড়ির স্বত্বাধিকারী। অন্যদিকে, ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর সঙ্গে তাঁর বিড়ির বাজার নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এর মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ আরও জোরালো হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এরই জেরে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মীর কাসেম মিঠু, ছোট আসাদ ও তৌফিক হোসেন বাবলু মারধরের শিকার হন। হামলার সময় কার্যালয়ের চেয়ার, ব্যানার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মীর কাসেম মিঠুর অভিযোগ, এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ায় তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে রমজান আলী জিকুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া হামলার সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করেন দলীয় নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রুহুল আমীনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে চাঁদ সরকার হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



























