৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে মধ্য আকাশে জন্ম নিলো শিশু, আজীবন আকাশ ভ্রমণ ফ্রি
- প্রকাশের সময় : ০৫:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩
- / 728 বার পড়া হয়েছে
ভারতের বেসরকারি এয়ারলাইন্স জেট এয়ারওয়েজে এক শিশু জন্ম নিয়েছে। সৌদি আরব থেকে ভারত যাওয়ার পথে শিশুটির জন্ম হয়। ওই বিমান কর্তৃপক্ষ শিশুটির আজীবন বিনামূল্যে আকাশ ভ্রমণের সুবিধা করে দিয়েছে। তবে শিশুটি পৃথিবীতে আসার ব্যাপারটি সহজ ছিল না।
বিমান কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, বিমানটি তখন ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে। হঠাৎ করে গর্ভবতী এক নারীর নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রসব ব্যথা শুরু হয়। বিমানে কোনো ডাক্তার না থাকায় একজন ক্রু ও এক যাত্রী নারীটিকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। অবশ্য তারা দুইজনই ছিলেন প্রশিক্ষিত নার্স।
তাদের সাহায্যে প্রায় ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে মধ্য আকাশে জন্ম হয় শিশুটির। জেট এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি মুম্বাই পৌঁছানোর পর মা ও শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিমান কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে। সফলভাবে একটি ছেলের শিশুকে পৃথিবীতে আনতে প্রসবকাজে সহায়তার জন্য বিমানের ওই যাত্রী ও কেবিন ক্রুকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছে জেট এয়ারওয়েজ।
এর আগে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ৪২ হাজার ফুট উঁচুতে এক শিশুর জন্ম হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ এয়ারলাইন্সের নিয়ম অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণের ৩৬ সপ্তাহ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বিমানে চড়তে কোনো বাধা নেই।
তবে এ ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ একটি চিঠি দেখাতে হয় যে তাদের গর্ভধারণের কত সপ্তাহ পার হয়েছে। উল্লেখ্য ১৮ জুন ২০১৭ তারিখে সৌদি আরব থেকে ভারতে যাবার পথে ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে শিশুটির জন্ম হয়।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশা: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় মাঝ নদীতে আটকা ৩ ফেরি
ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি।এসময় মাঝ নদীতে ৩টি ফেরি যানবাহন নিয়ে আটকা পড়েছে।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসি আরিচা বন্দরের উপ ব্যবস্থাপক শাহ খালেদ নেওয়াজ।
তিনি জানান, সাড়ে ৭ টার সময় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ঘটনায এড়াতে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। এসময় মাঝ নদীতে রোরো ফেরি রুহুল আমিন, মতিউর রহমান ও ইউটিলিটি ফেরি বনলতা অর্ধ শতাধিক বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নিয়ে আটকা পড়েছে।
পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে রোরো ফেরি শাহ পরান ও ইউটিলিটি ফেরি ফরিদপুর ও রজনীগন্ধা এবং দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে রোরো ফেরি শাহ জালাল, বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, শাহ মখদুম, ইউটিলিটি ফেরি কুমিল্লা ও হাসনাহেনা বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নিয়ে নোঙর করে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

























