ঢাকা , শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া, তদন্তে নতুন মোড় বড় চালানে সাপের বিষ, মূল্য সাড়ে ৩৮ কোটি টাকা তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি উচ্ছেদে কর্মহীন হকারদের পুনর্বাসন ও দখলদারি বন্ধের আহ্বান বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী, শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান জাবির নামে ভুয়া পেজের ছড়াছড়ি, সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ হোটেলে বিজিবির সদস্য পরিচয়, শেষে তোয়ালে চুরি করে ধরা নববধূর সঙ্গে নতুন জীবনের শুরুতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু নোয়াখালীতে যুবদল নেতাকে গায়েবি চুরি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ সাবেক প্রেমিকাকে হত্যার ছক, চ্যাটজিপিটির মাধ্যমেই জানল গোয়েন্দারা

পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া, তদন্তে নতুন মোড়

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11 বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে (২৫) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। একই মামলায় মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তার উপার্জনে সম্মতি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকে আসামি করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে।

পুলিশের অভিযোগ, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুমাইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে মিলে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

ডিবি আরও জানায়, সুমাইয়ার বাবা তার মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং ওই কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে। চক্রটির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য জানতে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে সুমাইয়া ও খাজা সাকলাইন ফারুকের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া, তদন্তে নতুন মোড়

প্রকাশের সময় : ১০:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে (২৫) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। একই মামলায় মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার পরও তার উপার্জনে সম্মতি ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকে আসামি করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে।

পুলিশের অভিযোগ, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুমাইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে মিলে সুমাইয়া একটি চক্র পরিচালনা করতেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

ডিবি আরও জানায়, সুমাইয়ার বাবা তার মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন এবং ওই কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে। চক্রটির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য জানতে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে সুমাইয়া ও খাজা সাকলাইন ফারুকের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।