‘আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে সার সংকট নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ’
- প্রকাশের সময় : ০৩:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 16 বার পড়া হয়েছে
‘বেহেশতের টিকিট বিক্রির রাজনীতি করে একটি দল যেসব এলাকায় নির্বাচিত হয়েছে, সেসব এলাকায় কৃত্রিমভাবে সারের সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।’—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
কবর জিয়ারত শেষে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং আবু সাঈদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।
মীর শাহে আলম বলেন, ‘শহীদ আবু সাঈদের যে অবদান, তা শুধু ইতিহাস নয়; এটি সবার জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর বাবা-মা গর্বিত বাবা-মা। আবু সাঈদ রংপুরের সম্পদ, এই দেশের সম্পদ। তিনি গণঅভ্যুত্থানের বীর।’
শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের জন্য সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শহীদ আবু সাঈদের বাবা-মায়ের জন্য ঘর নির্মাণ এবং তাঁর কবরের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনে ১ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করছি।’
পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন কারণে অবহেলিত এলাকাগুলোকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। মীর শাহে আলম বলেন, ‘কে নির্বাচিত হয়েছেন, কে হননি—তা দেখা হবে না। সবার জন্য কাজ করা হবে।’
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রীর একটি কর্মসূচি। দেশের কোনো পরিবার এ কর্মসূচি থেকে বাদ পড়বে না।’
ধর্মীয় বিষয় ও মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের কথা বলে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করেছে। তারা মসজিদ ও ইমামদের নিয়ে কী চিন্তা করেছিল? এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন্তা করেছেন।’
দেশের মসজিদগুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের বেতনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের জন্য কাজ করেনি। বিএনপি সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর সংকটপূর্ণ অবস্থায় দেশ পেয়েছে। গ্যাসের সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। সরকারের কাজ চলমান রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চার বছর সময় দিতে হবে। এরপর দেখতে হবে সরকারের কোথায় ব্যর্থতা।’



























