ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান  বাংলাদেশ ভ্রমণের নতুন হিসাব, নিজের জেলা ভ্রমণ ম্যাপ বানাবেন যেভাবে বিএসএফের গুলির অভিযোগ, বাংলাদেশে এসে গ্রেপ্তার দুই ভারতীয়—মিলছে না বক্তব্য সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ যুবক আটক কালীগঞ্জের রাবেয়া স্কুলে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত পাঁচ মাসেও শেষ হয়নি হঠাৎ ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএম সেবা বন্ধ, জানত না বাংলাদেশ ব্যাংক পলাশে জমি নিয়ে বিরোধ, স্থাপনা নির্মাণে বাধার অভিযোগ বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতির বেলাব উপজেলা সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় উপজেলা কাব ক্যাম্পুরি শুরু শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

পলাশে জমি নিয়ে বিরোধ, স্থাপনা নির্মাণে বাধার অভিযোগ

মারুফ হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক
মারুফ হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 13 বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গার কাজিরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জমির এক অংশের মালিকের বিরুদ্ধে। এতে বন্ধ রয়েছে নির্মাণকাজ।
রোববার (৪ অক্টোবর) সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগীরা জানান, ২০১৪ সাল থেকে তারা ওই জমি বায়না দলিল করে ভোগদখল করে আসছেন, ২০২২ সালে সেই জমি রেজিস্ট্রি করে। সম্প্রতি সেখানে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করলে জমির এক অংশের মালিক  আজিজ এর ছেলে মহিন তার সাঙ্গ পাঙ্গু নিয়ে এতে বাধা দেন। এ নিয়ে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আমজাদ আলী বলেন, ২০১৪ সাল থেকে তারা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জমিটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী বর্তমান জমির মালিক প্রান আর এফ এল কোম্পানির সাথে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসায় দীর্ঘদিন ধরে জরিত। সেই সুবাদে ভুক্তভোগীর কোম্পানির ভিতরে থাকা জমি কোম্পানিকে বুঝিয়ে দিয়ে, ভায়রের জমি চৌহুদ্দির মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে নেয়।
মোশারফ হোসেন জানান, আজিজ মিয়ার ছেলে নিজের অংশের জমি থাকা সত্ত্বেও তিনি তাদের ভোগদখলে থাকা অতিরিক্ত জমি দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দিচ্ছেন।
সিরাজ মিয়া বলেন, একই জায়গায় এর আগে স্থাপনা নির্মাণের সময় কোনো আপত্তি করা হয়নি। তবে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করতেই জমি দাবি করে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
মিঠু বলেন, সঠিকভাবে জমি মাপজোক ও যাচাই করে যার যতটুকু জমি, তা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু মহিন তার জমি বুঝে পাওয়া সত্যেও অন্যে জমি গায়ের জুর খাটিয়ে দখল করতে চায়।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মহিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন রেখে দেন এবং পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বলেন, তার সাক্ষাৎকার নিতে হলে তার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে । তিনি অনুমতি দিলেই কেবল তার সাথে কথা বলা যাবে । সে যখন অনুমতি দিবে তখন তাকে ফোন দিতে হবে ‌।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান , এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে, তবে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

পলাশে জমি নিয়ে বিরোধ, স্থাপনা নির্মাণে বাধার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গার কাজিরচর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জমির এক অংশের মালিকের বিরুদ্ধে। এতে বন্ধ রয়েছে নির্মাণকাজ।
রোববার (৪ অক্টোবর) সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগীরা জানান, ২০১৪ সাল থেকে তারা ওই জমি বায়না দলিল করে ভোগদখল করে আসছেন, ২০২২ সালে সেই জমি রেজিস্ট্রি করে। সম্প্রতি সেখানে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করলে জমির এক অংশের মালিক  আজিজ এর ছেলে মহিন তার সাঙ্গ পাঙ্গু নিয়ে এতে বাধা দেন। এ নিয়ে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আমজাদ আলী বলেন, ২০১৪ সাল থেকে তারা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জমিটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী বর্তমান জমির মালিক প্রান আর এফ এল কোম্পানির সাথে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসায় দীর্ঘদিন ধরে জরিত। সেই সুবাদে ভুক্তভোগীর কোম্পানির ভিতরে থাকা জমি কোম্পানিকে বুঝিয়ে দিয়ে, ভায়রের জমি চৌহুদ্দির মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে নেয়।
মোশারফ হোসেন জানান, আজিজ মিয়ার ছেলে নিজের অংশের জমি থাকা সত্ত্বেও তিনি তাদের ভোগদখলে থাকা অতিরিক্ত জমি দাবি করে নির্মাণকাজে বাধা দিচ্ছেন।
সিরাজ মিয়া বলেন, একই জায়গায় এর আগে স্থাপনা নির্মাণের সময় কোনো আপত্তি করা হয়নি। তবে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করতেই জমি দাবি করে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
মিঠু বলেন, সঠিকভাবে জমি মাপজোক ও যাচাই করে যার যতটুকু জমি, তা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু মহিন তার জমি বুঝে পাওয়া সত্যেও অন্যে জমি গায়ের জুর খাটিয়ে দখল করতে চায়।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মহিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন রেখে দেন এবং পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বলেন, তার সাক্ষাৎকার নিতে হলে তার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে । তিনি অনুমতি দিলেই কেবল তার সাথে কথা বলা যাবে । সে যখন অনুমতি দিবে তখন তাকে ফোন দিতে হবে ‌।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান , এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে, তবে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।