ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

রংপুরে ইয়াবার গোপন মজুত, গ্রেপ্তার মা; ছেলের খোঁজ নেই

মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল
মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 8 বার পড়া হয়েছে

মাটির নিচে টিনের কৌটায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ইয়াবার বড় চালান। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বেরিয়ে আসে সেই ইয়াবার ভান্ডার। রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় পেয়ারী বেগম (৬১) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (২২) পলাতক রয়েছেন।
‎
‎বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এ অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রংপুর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পেয়ারী বেগমের হাতে থাকা পলিথিন থেকে তিন পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর ছেলে রাসেল মিয়ার বসতঘরের পূর্ব পাশের দেয়ালসংলগ্ন মাটির নিচে একটি টিনের কৌটার সন্ধান পাওয়া যায়। কৌটাটির ভেতরে কালো রঙের জিপারযুক্ত তিনটি প্যাকেটে রাখা ছিল আরও ৫৬৭ পিস ইয়াবা।
‎
‎সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৫৭০ পিস। ওজন ৫৭ গ্রাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে, এসব ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য এক লাখ ৭১ হাজার টাকা।
‎
‎অভিযানে পেয়ারী বেগম গ্রেপ্তার হলেও তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া এখনো অধরা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) ও ৪১ ধারায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাদী হয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক এস এম এলতাস উদ্দিন।
‎
‎স্থানীয় সূত্রের দাবি, পেয়ারী বেগমের অপর দুই ছেলে আইয়ব আলী ও বিপ্লবের বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইন কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি বিপ্লবকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে ঘিরে মাদক কারবারের অভিযোগ ওঠায় এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা, মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মাদক কারবারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে ইয়াবার গোপন মজুত, গ্রেপ্তার মা; ছেলের খোঁজ নেই

প্রকাশের সময় : ০৪:০২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মাটির নিচে টিনের কৌটায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ইয়াবার বড় চালান। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে বেরিয়ে আসে সেই ইয়াবার ভান্ডার। রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় পেয়ারী বেগম (৬১) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া (২২) পলাতক রয়েছেন।
‎
‎বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এ অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রংপুর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পেয়ারী বেগমের হাতে থাকা পলিথিন থেকে তিন পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর ছেলে রাসেল মিয়ার বসতঘরের পূর্ব পাশের দেয়ালসংলগ্ন মাটির নিচে একটি টিনের কৌটার সন্ধান পাওয়া যায়। কৌটাটির ভেতরে কালো রঙের জিপারযুক্ত তিনটি প্যাকেটে রাখা ছিল আরও ৫৬৭ পিস ইয়াবা।
‎
‎সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৫৭০ পিস। ওজন ৫৭ গ্রাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে, এসব ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য এক লাখ ৭১ হাজার টাকা।
‎
‎অভিযানে পেয়ারী বেগম গ্রেপ্তার হলেও তাঁর ছেলে রাসেল মিয়া এখনো অধরা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক) ও ৪১ ধারায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাদী হয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রংপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক এস এম এলতাস উদ্দিন।
‎
‎স্থানীয় সূত্রের দাবি, পেয়ারী বেগমের অপর দুই ছেলে আইয়ব আলী ও বিপ্লবের বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও হেরোইন কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি বিপ্লবকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে ঘিরে মাদক কারবারের অভিযোগ ওঠায় এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা, মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মাদক কারবারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।