ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“আগামী মাস থেকে এত কষ্ট থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী”

রিপু
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২
  • / ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || আগামী মাস থেকে এত কষ্ট থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী|

আগামী মাস থেকে জ্বালানি নিয়ে এত কষ্ট থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কথা ছিল ঘরে ঘরে আলো জ্বালব। আমরা প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। এখন ইউক্রেন যুদ্ধের পর তেল কিনতে অসুবিধা হচ্ছে, গ্যাস আনতে অসুবিধা হচ্ছে। শুধু আমাদের দেশ না, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, জার্মানি— সব জায়গায়; তারাও তো জ্বালানি সাশ্রয়ের দিকে নজর দিচ্ছে। তারা নিজেরাই তো হিমশিম খাচ্ছে। সেখানেও কিছুদিনের জন্য আমাদের কষ্ট পেতে হয়েছে। ইনশাল্লাহ, হয়তো আগামী মাস থেকে এত কষ্ট আর থাকবে না।

বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। খালি চোখে দেখে না আমাদের দেশের কিছু মানুষ। তাদের কিছুই ভালো লাগে না। তাদের গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে ভালো লাগবে না। তাদের ভালো লাগে অগণতান্ত্রিক কিছু হলে, কারণ তাদের মূল্য বাড়ে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে সেই খেলাই খেলতে চায় তারা বারবার এবং সেই খেলা চলেছে দীর্ঘদিন। ২০০৮ নির্বাচনের পর একটানা গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই তো বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে আবার সেই মর্যাদা পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক সমালোচনা, এটা-সেটা শুনতে হয়। এত কষ্ট করে, দিনরাত পরিশ্রম করে আজ বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে এসেছি, তা বাইরের লোকেরা দেখে। কিন্তু আমাদের দেশের ভেতরের কিছু লোক জীবনেও দেখে না, তারা দেখবেও না। অন্য সরকার থাকলে তাদের অনেক সুবিধা থাকে।’

দেশের রিজার্ভ নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হঠাৎ করে কেউ কেউ পারদর্শী হয়েছে, রিজার্ভ নিয়ে অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। করোনাকালে আমাদের আমদানি হয়নি, কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, কোনও রকম খরচ ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা প্রবাসে যারা…যেহেতু কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, হুন্ডি ব্যবসাও ছিল না, একেবারে সরকারিভাবে সব টাকা এসেছে। ফলে আমাদের ভালো ফান্ড আসে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ৯৬ পর্যন্ত বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন রিজার্ভ রেখে গিয়েছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার। যেটা তিন মাসের খাবার আমদানি করারও পয়সা হতো না।’

সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপরও আমি বলবো, তেল-পানি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে, মিতব্যয়ী হতে হবে। কারণ, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। তার প্রভাব থেকে আমরা মুক্ত না

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“আগামী মাস থেকে এত কষ্ট থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী”

প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২
৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || আগামী মাস থেকে এত কষ্ট থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী|

আগামী মাস থেকে জ্বালানি নিয়ে এত কষ্ট থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কথা ছিল ঘরে ঘরে আলো জ্বালব। আমরা প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি। এখন ইউক্রেন যুদ্ধের পর তেল কিনতে অসুবিধা হচ্ছে, গ্যাস আনতে অসুবিধা হচ্ছে। শুধু আমাদের দেশ না, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, জার্মানি— সব জায়গায়; তারাও তো জ্বালানি সাশ্রয়ের দিকে নজর দিচ্ছে। তারা নিজেরাই তো হিমশিম খাচ্ছে। সেখানেও কিছুদিনের জন্য আমাদের কষ্ট পেতে হয়েছে। ইনশাল্লাহ, হয়তো আগামী মাস থেকে এত কষ্ট আর থাকবে না।

বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। খালি চোখে দেখে না আমাদের দেশের কিছু মানুষ। তাদের কিছুই ভালো লাগে না। তাদের গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে ভালো লাগবে না। তাদের ভালো লাগে অগণতান্ত্রিক কিছু হলে, কারণ তাদের মূল্য বাড়ে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে সেই খেলাই খেলতে চায় তারা বারবার এবং সেই খেলা চলেছে দীর্ঘদিন। ২০০৮ নির্বাচনের পর একটানা গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই তো বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে আবার সেই মর্যাদা পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক সমালোচনা, এটা-সেটা শুনতে হয়। এত কষ্ট করে, দিনরাত পরিশ্রম করে আজ বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে এসেছি, তা বাইরের লোকেরা দেখে। কিন্তু আমাদের দেশের ভেতরের কিছু লোক জীবনেও দেখে না, তারা দেখবেও না। অন্য সরকার থাকলে তাদের অনেক সুবিধা থাকে।’

দেশের রিজার্ভ নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হঠাৎ করে কেউ কেউ পারদর্শী হয়েছে, রিজার্ভ নিয়ে অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। করোনাকালে আমাদের আমদানি হয়নি, কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, কোনও রকম খরচ ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা প্রবাসে যারা…যেহেতু কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, হুন্ডি ব্যবসাও ছিল না, একেবারে সরকারিভাবে সব টাকা এসেছে। ফলে আমাদের ভালো ফান্ড আসে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ৯৬ পর্যন্ত বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন রিজার্ভ রেখে গিয়েছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার। যেটা তিন মাসের খাবার আমদানি করারও পয়সা হতো না।’

সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারপরও আমি বলবো, তেল-পানি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে, মিতব্যয়ী হতে হবে। কারণ, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। তার প্রভাব থেকে আমরা মুক্ত না

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট