ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ, দুই দিন পর ঝোপঝাড়ে মিলল শিশু মিমের অর্ধগলিত মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে উদ্ধার ২৩ টিয়া পাখি অবমুক্ত টেকসই উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে গোপালপুরে প্রশিক্ষণ কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজের নবীন বরণ উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত নাচোলে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ ধামইরহাটে ট্যাপন্ডাডল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ডেঙ্গু রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান স্ত্রীর বিদেশ যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ: সন্তানদের বিষ খাইয়ে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবার

“আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২
  • / 559 বার পড়া হয়েছে

সাতরং ডেস্ক।। “আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”।

বিয়ে হোক বা হুল্লোড়, ইংল্যান্ডের এই গ্রামে আনন্দ উদ্‌যাপনের জন্য আসেন সাধারণ মানুষ। লম্বা ছুটি কাটানোর ঠিকানা হিসেবেও অক্সনিডের জুড়ি নেই। কিন্তু এই গ্রামই সম্প্রতি ছেয়ে গিয়েছে নানা পোস্টার এবং সাইনবোর্ডে। যাতে বড় বড় করে লেখা, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়’।

বিয়েবাড়ির আয়োজনে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই স্থানীয়রাই গ্রামে আর অতিথি চান না। তারা গ্রামজুড়ে সাইনবোর্ড বসিয়ে আগামী দিনে যারা অক্সনিডে বিয়ে বা অন্য কোনো উৎসব উদ্‌যাপনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বার্তা দিয়েছেন। কোনো সাইনবোর্ডে স্পষ্ট লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘বর-কনে এবং বিয়েবাড়ির অতিথিরা অক্সনিডে আর স্বাগত নন।’ কোনো সাইনবোর্ডে আবার লেখা হয়েছে, ‘আর কোনো বিয়ে নয়, অনেক হয়েছে।’

ar biye noy news

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অক্সনিডে যারা আনন্দ করতে আসেন, তারা গ্রামটিকে নোংরা করে দিয়ে যান। সাজানো বাগানে যত্রতত্র নোংরা ফেলা থেকে শুরু করে প্রস্রাব করা, কিছুই বাদ থাকে না। তারা চলে গেলে গ্রাম বার বার পরিষ্কার করাতে হয়। এতে দৈনন্দিন জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

অক্সনিডে বিয়ে বা অন্যান্য আনন্দ উৎসব আয়োজনের রীতি অনেক পুরনো। ষোড়শ শতাব্দী থেকে সেখানে বিয়ের আসর বসছে। তবে প্রাচীন রীতি নিয়ে রীতিমতো তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। রাতবিরেতে তারস্বরে গানবাজনার কারণে তারা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না বলে জানিয়েছেন।

অক্সনিডে শতাব্দীপ্রাচীন একটি হলো রয়েছে, সেখানেই মূলত বিয়ের আসর বসে। এতো বছর ধরে সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু বিয়েবাড়ির আয়োজন করা হত। কিন্তু অতিমারি-পরবর্তী সময়ে অক্সনিডে যত খুশি বিয়ের সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। তারপর থেকেই স্থানীয়দের উপর ‘অত্যাচার’ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বার সেই বিয়েবাড়িগুলোর বিরুদ্ধেই একজোট হলো অক্সনিড।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

সাতরং ডেস্ক।। “আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”।

বিয়ে হোক বা হুল্লোড়, ইংল্যান্ডের এই গ্রামে আনন্দ উদ্‌যাপনের জন্য আসেন সাধারণ মানুষ। লম্বা ছুটি কাটানোর ঠিকানা হিসেবেও অক্সনিডের জুড়ি নেই। কিন্তু এই গ্রামই সম্প্রতি ছেয়ে গিয়েছে নানা পোস্টার এবং সাইনবোর্ডে। যাতে বড় বড় করে লেখা, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়’।

বিয়েবাড়ির আয়োজনে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই স্থানীয়রাই গ্রামে আর অতিথি চান না। তারা গ্রামজুড়ে সাইনবোর্ড বসিয়ে আগামী দিনে যারা অক্সনিডে বিয়ে বা অন্য কোনো উৎসব উদ্‌যাপনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বার্তা দিয়েছেন। কোনো সাইনবোর্ডে স্পষ্ট লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘বর-কনে এবং বিয়েবাড়ির অতিথিরা অক্সনিডে আর স্বাগত নন।’ কোনো সাইনবোর্ডে আবার লেখা হয়েছে, ‘আর কোনো বিয়ে নয়, অনেক হয়েছে।’

ar biye noy news

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অক্সনিডে যারা আনন্দ করতে আসেন, তারা গ্রামটিকে নোংরা করে দিয়ে যান। সাজানো বাগানে যত্রতত্র নোংরা ফেলা থেকে শুরু করে প্রস্রাব করা, কিছুই বাদ থাকে না। তারা চলে গেলে গ্রাম বার বার পরিষ্কার করাতে হয়। এতে দৈনন্দিন জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

অক্সনিডে বিয়ে বা অন্যান্য আনন্দ উৎসব আয়োজনের রীতি অনেক পুরনো। ষোড়শ শতাব্দী থেকে সেখানে বিয়ের আসর বসছে। তবে প্রাচীন রীতি নিয়ে রীতিমতো তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। রাতবিরেতে তারস্বরে গানবাজনার কারণে তারা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না বলে জানিয়েছেন।

অক্সনিডে শতাব্দীপ্রাচীন একটি হলো রয়েছে, সেখানেই মূলত বিয়ের আসর বসে। এতো বছর ধরে সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু বিয়েবাড়ির আয়োজন করা হত। কিন্তু অতিমারি-পরবর্তী সময়ে অক্সনিডে যত খুশি বিয়ের সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। তারপর থেকেই স্থানীয়দের উপর ‘অত্যাচার’ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বার সেই বিয়েবাড়িগুলোর বিরুদ্ধেই একজোট হলো অক্সনিড।